
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) ঘুষি মেরে এক শিক্ষার্থীর নাক ফাটানোর অভিযোগ উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে।
বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রাত আনুমানিক ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হলের তিন তলার ছাদে এ ঘটনা ঘটে। এসময় আরো দুই শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন কুবি শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আতিকুর রহমান।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা হলেন—অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের ২০২২-২৩ সেশনের শিক্ষার্থী সৌরভ কাব্য, একই সেশনের নৃবিজ্ঞান বিভাগের মাজহারুল ইসলাম আবির এবং অর্থনীতি বিভাগের ২০২৩-২৪ সেশনের শিক্ষার্থী তোফায়েল আহমেদ নিবির। তাদের মধ্যে কাব্যের নাক ফেটে গেলে তাকে কুমিল্লা মেডিক্যালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়।
অভিযুক্তরা হলেন ২০১৩-১৪ সেশনের সাবেক শিক্ষার্থী ও কুবি শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আতিকুর রহমান। এসময় তার সঙ্গে ছিল একই সেশনের শিক্ষার্থী মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, ২০১৭-১৮ সেশনের তরিকুল এবং ২০২৪-২৫ সেশনের শিক্ষার্থী সিফাত। ভুক্তভোগীরাও ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত বলে জানা গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঘটনার দিন সন্ধ্যায় আতিকুর রহমান ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মীকে সঙ্গে নিয়ে হলের বিভিন্ন কক্ষে যান এবং আবাসিক শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ সিটে অবস্থান করার নির্দেশ দেন। এ সময় মৌখিক বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়। পরে রাতের দিকে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
আরও পড়ুনঃ দেশের বাজারে ভরিতে ৩ হাজার টাকা কমল সোনার দাম
প্রতিবাদ জানাতে গেলে ছাত্রদলের আহ্বায়ক মামুন ও সদস্যসচিব শুভর উপস্থিতিতে আতিকুর রহমান নিবিরের কলার ধরে থাপ্পড় মারেন। বাধা দিতে গেলে আবিরকে ধাক্কা দেওয়া হয় এবং সৌরভ কাব্যকে নাকে ঘুষি মারা হয়, এতে তার নাক ফেটে যায়।
একপর্যায়ে হলের অন্যান্য শিক্ষার্থীরা ছুটে আসেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে সাধারণ শিক্ষার্থীরা ক্ষুব্ধ হয়ে অভিযুক্তদের ধাওয়া দিলে তারা হল এলাকা থেকে পালিয়ে যান।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী তোফায়েল মাহমুদ নিবির বলেন, আমরা ছাদে আছি এরমধ্যে ছাত্রদলের আতিক এসে আমার কলারে ধরে চড় মারে। আর ১৬ ব্যাচের একজনের নাকে ঘুসি মেরে রক্ত বের করে ফেলেছে।



