spot_img

― Advertisement ―

spot_img

বরেন্দ্র প্রেসক্লাব হামলা মামলায় দুই আসামি গ্রেপ্তার

মোঃ সাকিবুল ইসলাম স্বাধীন, রাজশাহী প্রতিনিধিঃ রাজশাহীর বরেন্দ্র প্রেসক্লাবে সশস্ত্র হামলা ও চার লাখ টাকা চাঁদা দাবির মামলায় দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।মঙ্গলবার (১০...
প্রচ্ছদসারা বাংলারাজশাহী জেলা পুলিশের মানবিক উদ্যোগ: উদ্ধারকৃত ফোন ও বিকাশের টাকা ফেরত

রাজশাহী জেলা পুলিশের মানবিক উদ্যোগ: উদ্ধারকৃত ফোন ও বিকাশের টাকা ফেরত

মোঃ সাকিবুল ইসলাম স্বাধীন, রাজশাহী প্রতিনিধিঃ রাজশাহী জেলা পুলিশের মানবিক ও প্রযুক্তিনির্ভর অভিযানে উদ্ধার হওয়া ৫১টি মোবাইল ফোন ও বিকাশ প্রতারণার মাধ্যমে হাতিয়ে নেওয়া ১৫ হাজার ৫০০ টাকা প্রকৃত মালিকদের হাতে ফেরত দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টায় রাজশাহী পুলিশ সুপার কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত এক সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এসব মালামাল হস্তান্তর করেন পুলিশ সুপার ফারজানা ইসলাম।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মো. রফিকুল আলম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মো. শরিফুল ইসলামসহ জেলা পুলিশের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

রাজশাহীর ৮টি থানায় মোবাইল হারিয়ে সাধারণ ডায়েরি করেছিলেন ৫১ জন ভুক্তভোগী। এসব ডায়েরির ভিত্তিতে পুলিশ সুপার কার্যালয়ের অধীনস্থ সাইবার ক্রাইম সেল প্রযুক্তির সহায়তায় ফোনগুলো শনাক্ত করে উদ্ধার করে।

উদ্ধার হওয়া মোবাইল ফোনগুলোর মধ্যে রয়েছে—স্যামসাং ১১টি, শাওমি ৯টি, ভিভো ৭টি, রিয়েলমি ৭টি, ইনফিনিক্স ৪টি, ওপ্পো ৬টি, হুয়াওয়ে ৩টি, মোটোরোলা ২টি, টেকনো ১টি ও সিম্ফনি ১টি।

এছাড়া বিকাশে প্রতারণার মাধ্যমে নেওয়া ১৫,৫০০ টাকা উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের ফেরত দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ সাজিদের মৃত্যু রহস্যের তদন্ত প্রতিবেদনের দাবিতে শিক্ষার্থীদের ফের আন্দোলন

অনুষ্ঠানে পুলিশ সুপার ফারজানা ইসলাম বলেন, “মানুষের হারানো জিনিস ফিরিয়ে দিতে পারা আমাদের কাছে শুধু দায়িত্ব নয়, বরং এটি এক ধরনের আনন্দ। জেলা পুলিশের সাইবার টিম নিয়মিতভাবে এ ধরনের কাজ করে চলেছে এবং ভবিষ্যতেও আরও জোরালোভাবে এ ধরনের সেবা অব্যাহত থাকবে।”

ফোন ও টাকা ফিরে পেয়ে ভুক্তভোগীরা পুলিশ বিভাগের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, “আমরা কখনো কল্পনাও করিনি যে হারানো মোবাইল কিংবা টাকা ফেরত পাওয়া সম্ভব। রাজশাহী জেলা পুলিশ আমাদের আশা ছাড়িয়ে যে সহায়তা করেছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয়।”

স্থানীয়রা মনে করছেন, পুলিশের এই ধরনের মানবিক ও সচেতনমূলক উদ্যোগ সাধারণ মানুষের মধ্যে আস্থা ও নিরাপত্তাবোধ বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। জনসেবায় প্রযুক্তির এমন সদ্ব্যবহার পুলিশি সেবার প্রতি সাধারণ মানুষের দৃষ্টিভঙ্গিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে বলেও অভিমত দিয়েছেন অনেকেই।