spot_img

― Advertisement ―

spot_img

পদ্মানদীতে মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ জেলের মরদেহ উদ্ধার

মোঃ আব্দুল আলিম, রাজশাহী প্রতিনিধিঃ রাজশাহীর বাঘা উপজেলায় পদ্মানদীতে মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ হওয়া জেলে আমিনুল ইসলাম (৫০)-এর মরদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস ও...
প্রচ্ছদসারা বাংলারাজশাহীতে মানববন্ধনে প্রকৌশলী হারুনের অপসারণ দাবি

রাজশাহীতে মানববন্ধনে প্রকৌশলী হারুনের অপসারণ দাবি

মোঃ আব্দুল আলিম, রাজশাহী প্রতিনিধিঃ জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতরের নির্বাহী প্রকৌশলী হারুন অর রশিদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, স্বেচ্ছাচারিতা ও অনিয়মের অভিযোগ তুলে তার অপসারণ দাবি করেছেন ঠিকাদার, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।

সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে তারা বক্তব্য রাখেন।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, “নির্বাহী প্রকৌশলী হারুন অর রশিদ দীর্ঘদিন ধরে চরম স্বেচ্ছাচারিতা চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি অধঃস্তন কর্মকর্তাদের হয়রানি করছেন, ঠিকাদারদের বিল আটকে কমিশন আদায় করছেন এবং উৎকোচ গ্রহণসহ নানা অনিয়মে জড়িয়ে পড়েছেন।”

অভিযোগ করে তারা আরও বলেন, “সরকারি নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে হারুন অর রশিদ আওয়ামী লীগপন্থী কিছু ঠিকাদারকে বিশেষ সুবিধা দিয়ে কাজ পাইয়ে দিচ্ছেন। সম্প্রতি গোপন দরপত্র ফাঁস করে গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের এক নেতার প্রতিষ্ঠানের হাতে সাড়ে ১১ কোটি টাকার কাজ দিয়েছেন। পূর্বের কাজ অসমাপ্ত থাকা সত্ত্বেও একই প্রতিষ্ঠানের হাতে একযোগে ১০টি কাজ দিয়ে সরকারি নির্দেশনা লঙ্ঘন করেছেন।”

আরও পড়ুনঃ রাজশাহীতে নানা আয়োজনে বিশ্ব হার্ট দিবস পালিত

বক্তারা জানান, “ঠিকাদারদের সময়মতো বিল পরিশোধ না করে এক শতাংশ কমিশন আদায় করার কারণে এলাকায় এখন তাকে মিস্টার ওয়ান পারসেন্ট নামে ডাকা হচ্ছে। এছাড়া তিনি রাতের বেলায় অফিস পরিচালনা, সরকারি গাড়ির অপব্যবহার, অনৈতিক আর্থিক লেনদেন ও কর্মকর্তাদের হয়রানির সঙ্গেও জড়িত।”

তারা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, “নির্বাহী প্রকৌশলী হারুন অর রশিদকে অপসারণ না করা হলে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতরের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হবে এবং সাধারণ মানুষের ভোগান্তি আরও বাড়বে। আমরা অবিলম্বে তার বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ তদন্ত করে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ ও রাজশাহী থেকে দ্রুত বদলির দাবি জানাই।”

মানববন্ধন শেষে বিভাগীয় কমিশনারের কাছে স্মারকলিপি দেন আন্দোলনকারীরা। এসময় ঠিকাদার তারেক, ফিরোজ, হিমেল, শাহীন, সজিব, রবিন, শাকিল, ফরহাদসহ জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতরের অন্যান্য ঠিকাদাররা উপস্থিত ছিলেন।