spot_img

― Advertisement ―

spot_img

দারুল ইহসান ট্রাস্ট সম্পত্তি দখল নিয়ে সংবাদ সম্মেলন

মোঃ আসিফুজ্জামান আসিফ, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টারঃ সাভার আশুলিয়ায় দারুল ইহসান ট্রাস্ট কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত তাফিযুল কুরআনিল কারিম ফাযিল মাদরাসা ও তদসংলগ্ন ভূ-সম্পত্তির বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে...
প্রচ্ছদসারা বাংলাদারুল ইহসান ট্রাস্ট সম্পত্তি দখল নিয়ে সংবাদ সম্মেলন

দারুল ইহসান ট্রাস্ট সম্পত্তি দখল নিয়ে সংবাদ সম্মেলন

মোঃ আসিফুজ্জামান আসিফ, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টারঃ সাভার আশুলিয়ায় দারুল ইহসান ট্রাস্ট কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত তাফিযুল কুরআনিল কারিম ফাযিল মাদরাসা ও তদসংলগ্ন ভূ-সম্পত্তির বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১১ মার্চ) সাগর-রুনি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন দারুল ইহসান ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক মো. ফজলুল করিম, প্রধান উপদেষ্টা ড. সালেহ উদ্দিন সাঈদ এবং এসেট ম্যানেজার মো. জাকির হোসেন। লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ড. সালেহ উদ্দিন সাঈদ।

তিনি বলেন, ১৯৮৬ সালে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন শিক্ষাবিদ মরহুম ড. সৈয়দ আলী আশরাফ দারুল ইহসান ট্রাস্ট প্রতিষ্ঠা করেন এবং ৮.৬৩ একর জমি ট্রাস্টের নামে দান করেন। উক্ত ট্রাস্টের আওতায় তিনি ১৯৯৩ সালে বাংলাদেশের প্রথম বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন।

তিনি আরও বলেন, ২০০৬ সালে ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য সৈয়দ আলী নকী ট্রাস্টের অধিকাংশ সদস্যদের অগোচরে ও অজ্ঞাতে একই নামে আরেকটি দারুল ইহসান ট্রাস্ট রেজিস্ট্রেশন করেন। এর জেরে ২০১৬ সালে হাইকোর্ট দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেন।

ড. সালেহ উদ্দিন সাঈদ জানান, ২০০৬ সালে প্রতিষ্ঠিত ট্রাস্টের বর্তমান কোন কমিটি নেই। সুপ্রিম কোর্টের স্থগিতাদেশ থাকা সত্ত্বেও মুহাম্মদ ওসমান গণী নিজেকে ট্রাস্টের সেক্রেটারি দাবি করে মাদরাসার গেটে সাইনবোর্ড টানিয়ে বেআইনি কার্যকলাপে লিপ্ত রয়েছেন।

আরও পড়ুনঃ নিজ দেশে নেতানিয়াহু দুর্নীতি মামলায় দিশেহারা

তিনি অভিযোগ করেন, গত ১০ ফেব্রুয়ারি সৈয়দ আলী রাহয়ান ও তার সহযোগীরা লাঠিসোটা ও দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মাদরাসা প্রাঙ্গণে অনুপ্রবেশ করে। তারা মাদরাসার স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিচালনায় বিঘ্ন ঘটাচ্ছে এবং ট্রাস্টের লোকজন ও কর্মচারীদের প্রবেশে বাধা দিচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, গত ২৭ ফেব্রুয়ারি ট্রাস্ট কর্তৃক নিয়োগকৃত এসেট ম্যানেজার জাকির হোসেনকে মাদরাসা প্রবেশে বাধা প্রদান ও প্রাণনাশের হুমকি প্রদর্শনসহ তার নিকট থেকে ৫ লাখ টাকা দাবি করা হয়।