spot_img

― Advertisement ―

spot_img

ঈদের শুভেচ্ছায় ঐক্য, সম্প্রীতি ও মানবিকতার আহ্বান — ছাত্রদল নেতা নাঈম

সাভার প্রতিনিধি: পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সাভারবাসীসহ দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি মোঃ মুমিনুল ইসলাম নাঈম।বৃহস্পতিবার (১৯...
প্রচ্ছদশিক্ষা ও শিক্ষাঙ্গনক্যাম্পাসনিরাপত্তা কক্ষ ভেঙে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ কর্মীকে ছাড়িয়ে নিল সহপাঠীরা 

নিরাপত্তা কক্ষ ভেঙে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ কর্মীকে ছাড়িয়ে নিল সহপাঠীরা 

ডালিয়া হালদার, ববি প্রতিনিধি: বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা কক্ষ ভেঙে এক নিষিদ্ধ ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগ কর্মীকে ছাড়িয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

শুক্রবার (২৪ জানুয়ারি) বিকেলে এ ঘটনায় উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। আটককৃত ছাত্রলীগ কর্মী শাহরিয়ার সান আইন বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, শাহরিয়ার সান ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে জড়িত এবং তিনি আগে ছাত্র আন্দোলনের সময় শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালিয়েছিলেন। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৫টায় সাধারণ শিক্ষার্থীরা তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে আটক করেন এবং নিরাপত্তা কক্ষে আটকে রাখেন।

রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থী রাকিব আহমেদ বলেন, “শাহরিয়ার সান জুলাই মাসে ছাত্র আন্দোলনের সময় শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার সঙ্গে সরাসরি জড়িত ছিলেন। আমরা তাকে পুলিশে সোপর্দ করতে চেয়েছিলাম, কিন্তু তার সহপাঠীরা তালা ভেঙে তাকে ছাড়িয়ে নিয়ে যায়।”

ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী ও ছাত্রদল কর্মী মোশাররফ হোসেন বলেন, “নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের কর্মী শাহরিয়ারকে সাধারণ শিক্ষার্থীরা আটক করেছিল। কিন্তু তার সহপাঠীরা তালা ভেঙে তাকে ছাড়িয়ে নিয়ে বিজয় মিছিল করেছে। এটি দুঃখজনক এবং ক্যাম্পাসে এ ধরনের আচরণ কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যাবে না।”

আরও পড়ুনঃ খুলনায় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর এ টি এম রফিকুল ইসলাম বলেন, “ঘটনার বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখছি। যারা দুষ্কর্মের সঙ্গে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

শিক্ষার্থীরা বলছেন, ক্যাম্পাসে নিষিদ্ধ সংগঠনের কোনো কর্মকাণ্ড চলতে দেওয়া হবে না। যারা এ ঘটনায় জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হোক এবং ক্যাম্পাসের পরিবেশ সুরক্ষিত রাখা হোক।

এ ঘটনায় ক্যাম্পাসজুড়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন অপরাধীদের চিহ্নিত করতে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ শুরু করেছে বলে জানা গেছে।