
তানিম তানভীর, ইবি প্রতিনিধিঃ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচন–২০২৫ সম্পন্ন হয়েছে। এতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন আল ফিকহ অ্যান্ড ল’ বিভাগের ২০১৯–২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আবির হোসেন (দৈনিক যুগান্তর) এবং সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন চারুকলা বিভাগের একই বর্ষের শিক্ষার্থী নাজমুল হুসাইন (ডিবিসি নিউজ)।
শনিবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র–শিক্ষক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে অবস্থিত প্রেস কর্নারে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালন করেন সংগঠনটির সাবেক সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন তোতা। সহকারী নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সংগঠনটির সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ড. আলতাফ হোসেন ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক ড. কানন আজিজ।
নির্বাচনে অন্যান্য পদে নির্বাচিতরা হলেন— সহ-সভাপতি নুর আলম (নয়া শতাব্দী), যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইফ ইব্রাহিম (সমকাল), দপ্তর সম্পাদক জিসান নজরুল (সময়ের আলো), কোষাধ্যক্ষ খাদেমুল ইসলাম ফরহাদ (সারাবাংলা), প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক শাহিন রাজা (সংবাদ), সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক আহমাদ গালিব (ডেইলি মেসেঞ্জার) এবং ক্রীড়া সম্পাদক মানিক হোসেন (আলোকিত বাংলাদেশ)।
কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে রয়েছেন মুনজুরুল ইসলাম নাহিদ (কালের কণ্ঠ), আজাহারুল ইসলাম (জনকণ্ঠ), আরিফ বিল্লাহ (দৈনিক শিক্ষা) ও ইরফান উল্লাহ (জাগো নিউজ)।
নির্বাচন পরবর্তী দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ। বিশেষ অতিথি ছিলেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. জাহাঙ্গীর আলম, ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ওবায়দুল ইসলাম, এবং ইউট্যাব ইবি শাখার সভাপতি অধ্যাপক ড. তোজাম্মেল হোসেন।
আরও পড়ুনঃ আমেরিকার লাস ভেগাসে এইসিটি আন্তর্জাতিক সম্মলেনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব জহুর পরিবারের
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল, ছাত্রশিবির, ছাত্র ইউনিয়ন, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ।
নবনির্বাচিত সভাপতি আবির হোসেন বলেন, “আমরা বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার ধারা অব্যাহত রাখতে অগ্রজদের পদাঙ্ক অনুসরণ করবো। বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সবার সহযোগিতা কামনা করছি।”
ফলাফল ঘোষণার পর উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেন, “নবনির্বাচিত কমিটিকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাচ্ছি। আমি আশা করি, তাদের দৃষ্টি শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৭৫ একরের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কাজ করার যোগ্যতা অর্জন করবে। তারা তথ্যানুসন্ধানমূলক ও গঠনমূলক সাংবাদিকতার মাধ্যমে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিবাচক দিকগুলো দেশব্যাপী তুলে ধরবে।”



