spot_img

― Advertisement ―

spot_img

ইবিতে চালু হচ্ছে ফ্রি সাহরি-ইফতার প্রজেক্ট

তানিম তানভীর, ইবি প্রতিনিধিঃ পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে মাসব্যাপী ফ্রি সাহরি ও ইফতার কর্মসূচির উদ্যোগ নিয়েছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন 'হ্যান্ডস ফর হিউম্যানিটি'।আগামী...
প্রচ্ছদশিক্ষা ও শিক্ষাঙ্গনক্যাম্পাসইবিতে কলা অনুষদভুক্ত বিভাগসমূহে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ

ইবিতে কলা অনুষদভুক্ত বিভাগসমূহে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ

তানিম তানভীর, ইবি প্রতিনিধিঃ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তার উদ্যোগে কলা অনুষদভুক্ত বিভাগসমূহে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার (১৯ নভেম্বর) দুপুর ১২ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের গগন হরকরায় অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এয়াকুব আলী, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. জাহাঙ্গীর আলম ও ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা তানভীর হোসেন। এছাড়াও উক্ত অনুষদভুক্ত বুভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা তানভীর হোসেন বলেন, শরীর সুস্থ রাখতে খেলাধুলার বিকল্প নেই। বর্তমানে শিক্ষার্থীরা মোবাইলে অতিরিক্ত সময় ব্যয় করায় শারীরিক ও মানসিক ক্ষতি হচ্ছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আজ যে ক্রীড়া সামগ্রী দেওয়া হয়েছে তা যথাযথভাবে ব্যবহার হবে এবং অবহেলায় নষ্ট হবে না।

আরও পড়ুনঃ নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে ইবি কর্মচারীদের মানববন্ধন

উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেন, এলামনাইদের এই উদ্যোগ প্রশংসনীয়। বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্রীড়া চর্চা শিক্ষার্থীদের মনমানসিকতা ও শারীরিক সক্ষমতা উন্নত করে। বিভিন্ন বিভাগে দক্ষ খেলোয়াড় ভর্তি হওয়ার ফলে এখানে ক্রীড়াঙ্গন সমৃদ্ধ হয়েছে।

তিনি বলেন, সঙ্গীত যেমন মনের খোরাক জোগায়, ঠিক তেমনি খেলাধুলা মন ও শরীর দু’টোকেই সুস্থ রাখে। যারা খেলাধুলায় পারদর্শী, তাদের নিয়মিত অনুশীলন চালিয়ে যেতে হবে। আজ যে ক্রীড়া সরঞ্জাম দেওয়া হয়েছে, তা শিক্ষার্থীদের আরও উৎসাহিত করবে।

উপাচার্য আরও বলেন, দেশকে সুন্দরভাবে গড়ে তুলতে পড়াশোনা ও খেলাধুলা—দুইটাই জরুরি। ক্রীড়ামনোভাব মানুষের মধ্যে নৈতিকতা গড়ে তোলে; ভুল অন্যায় থেকে দূরে রাখে। পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলায় মনোযোগী হলে শিক্ষার্থীরা কখনো খারাপ কাজে জড়াবে না।