
তানিম তানভীর, ইবি প্রতিনিধিঃ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) মিউজিক অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ এবং প্রবীণ সদস্যদের বিদায় উপলক্ষে আয়োজন করা হয়েছে ব্যতিক্রমধর্মী সাংস্কৃতিক উৎসব ‘কুয়াশার গান’। বিজয়ের মাস ডিসেম্বরকে কেন্দ্র করে সংগীত, কবিতা ও আবৃত্তির মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী এই আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।
সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) দুপুর ২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ডায়না চত্বরে এমটু সলিউশনের পৃষ্ঠপোষকতায় এ উৎসবের আয়োজন করে ইবি মিউজিক অ্যাসোসিয়েশন। অনুষ্ঠানে সংগঠনের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের নবীন সদস্যদের বরণ এবং ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের সদস্যদের বিদায় জানানো হয়। এ উপলক্ষে নবীন ও প্রবীণ সদস্যদের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়।
‘কুয়াশার গান’ উৎসবে সংগঠনটির নিজস্ব গান ও কবিতা পরিবেশনার পাশাপাশি রবীন্দ্র মৈত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগের একদল শিক্ষার্থী লোকসংগীত, আধুনিক গান এবং বাংলা চলচ্চিত্রের গান পরিবেশন করেন। শীতকালীন আবহ ও বিজয়ের চেতনায় মিশে থাকা এসব পরিবেশনা দর্শকদের মধ্যে ভিন্নমাত্রার আবেগ তৈরি করে।
অনুষ্ঠানে সংগঠনটির সভাপতি ইশতিয়াক ফেরদৌস ইমনের সভাপতিত্বে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. এম এয়াকুব আলী, প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান এবং টিএসসিসির পরিচালক অধ্যাপক ড. জাকির হোসেন।
এছাড়া সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ফজলে রাব্বি, সাংগঠনিক সম্পাদক জারিন তাসমিন পুষ্প, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর ফারহা তানজীম তিতিলসহ শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহেদ আহম্মেদ, সদস্য সচিব মাসুদ রুমী মিথুন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন এবং বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুনঃ মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে পাথালিয়ায় নারীদের আলোচনা সভা
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে সংগঠনটির সভাপতি ইশতিয়াক ফেরদৌস ইমন বলেন, ডিসেম্বর আমাদের বিজয়ের মাস। এই বিজয়ের মাসের আবহের সঙ্গে শীতকালীন ঐতিহ্যকে মিলিয়ে আমরা আয়োজনের নাম দিয়েছি ‘কুয়াশার গান’। আমাদের উদ্দেশ্য হলো সংগীতের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও বাঙালির ঐতিহ্য তুলে ধরা। তিনি আরও বলেন, এই আয়োজনের মাধ্যমে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ও রবীন্দ্র মৈত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সাংস্কৃতিক সম্প্রীতি ও সহযোগিতার একটি সুন্দর দৃষ্টান্ত স্থাপন হয়েছে।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, সামনে ইন্টার ইউনিভার্সিটি মিউজিক ফেস্ট আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। ‘কুয়াশার গান’ সেই বৃহৎ আয়োজনের একটি প্রাথমিক ধাপ বা পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে কাজ করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।



