spot_img

― Advertisement ―

spot_img

জাতীয় নির্বাচন ঘিরে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা ও ভাবনা

সায়মা আনান প্রমি, খুবি প্রতিনিধিঃ আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে দেশজুড়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে যেমন আলোচনা ও উত্তেজনা বাড়ছে, তেমনি দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের...
প্রচ্ছদশিক্ষা ও শিক্ষাঙ্গনক্যাম্পাসযৌন হয়রানির অভিযোগ প্রমাণ, খুবির শিক্ষককে সাময়িক অব্যাহতি

যৌন হয়রানির অভিযোগ প্রমাণ, খুবির শিক্ষককে সাময়িক অব্যাহতি

সায়মা আনান প্রমি, খুবি প্রতিনিধিঃ খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) বাংলা ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক ড. রুবেল আনসারের বিরুদ্ধে আনীত যৌন হয়রানির অভিযোগের মধ্যে একটি অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে দুই বছরের জন্য পাঠদান, পরীক্ষা গ্রহণসহ সব ধরনের একাডেমিক ও প্রশাসনিক দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

রোববার (১১ জানুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারের কার্যালয় (প্রশাসন শাখা) থেকে এ–সংক্রান্ত দুটি পৃথক অফিস আদেশ জারি করা হয়।

আদেশে জানানো হয়, গত ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটের ২৩৪তম সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌন হয়রানি ও নিপীড়ন নিরোধ কেন্দ্রের সূত্রে জানা গেছে, বাংলা ও শিক্ষা ডিসিপ্লিনের দুই শিক্ষার্থীর করা যৌন নিপীড়ন সংক্রান্ত অভিযোগের প্রেক্ষিতে সাত সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত শেষে কমিটি গত ২৬ ডিসেম্বর তাদের প্রতিবেদন জমা দেয়, যা পরবর্তীতে ২৮ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেট সভায় উপস্থাপন করা হয়।

সিন্ডিকেট সভায় তদন্ত প্রতিবেদনের আলোকে অভিযোগগুলো পৃথকভাবে পর্যালোচনা করা হয়। শিক্ষা ডিসিপ্লিনের এক শিক্ষার্থীর করা অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত নম্বর ১৬ অনুযায়ী অধ্যাপক ড. রুবেল আনসারকে আগামী দুই বছরের জন্য বাংলা ডিসিপ্লিনসহ অন্যান্য ডিসিপ্লিনে পাঠদান, পরীক্ষা গ্রহণ এবং সব ধরনের একাডেমিক ও প্রশাসনিক দায়িত্ব থেকে বিরত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

আরও পড়ুনঃ ফের বাড়লো গুচ্ছের আবেদন সময়সীমা, যুক্ত হলো নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়

অন্যদিকে, বাংলা ডিসিপ্লিনের শিক্ষার্থীর করা অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত নম্বর ১৫ অনুযায়ী তাকে ওই অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে অভিযোগকারী বাংলা ডিসিপ্লিনের ওই শিক্ষার্থী জানান, তিনি ন্যায়বিচার পাননি বলে মনে করেন এবং পরবর্তীতে এই ঘটনায় আর কোনো আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার ইচ্ছা নেই।

এ প্রসঙ্গে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌন হয়রানি ও নিপীড়ন নিরোধ কেন্দ্রের প্রধান তাসলিমা খাতুন বলেন, তদন্ত প্রক্রিয়া ছিল সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ। সব তথ্য-প্রমাণ বিশ্লেষণ করেই তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে এবং ভুক্তভোগীরা ন্যায়বিচার পেয়েছেন বলে তিনি মনে করেন।