
তাওহিদ ইসলাম, ইবি প্রতিনিধি: মানসম্মত খাবার, পরিচ্ছন্নতা রক্ষা ও সার্বিক নিরাপত্তাসহ প্রধানতম চার দাবিতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন হলে স্বারকলিপি দিয়েছে শাখা ছাত্রদল।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ জিয়াউর রহমান, সাদ্দাম হোসেন ও শাহ আজিজুর রহমান হলের প্রভোস্ট বরাবর পৃথক স্বারকলিপি প্রদান করেন সংগঠনটি।
স্মারকলিপিতে হলে বিদ্যমান নানা সমস্যা উল্লেখ করে তার সুষ্ঠু সমাধানে প্রধানত ডাইনিংয়ে মানসম্মত খাবার, ওয়াশরুমের পরিচ্ছন্নতা, আবাসিক শিক্ষার্থীদের জন্য ইফতার আয়োজন, রমজান ও ছুটিকালীন নিরাপত্তা বৃদ্ধির দাবি জানান তারা।
এসময় শাখা ছাত্রদলের সদস্য রাফিজ আহমেদ, নূর উদ্দিন ও স্বাক্ষরের নেতৃত্বে উপস্থিত ছিলেন তৌহিদুর রহমান, আসাদ তৌফিক, সাদ ওসমান, এনামুল হক ইমন, হাফিজুর রহমান, আবু তাহের, শাহরিয়ার,শুভ, নিলয়, রিদ্য, জামাল, লুত, ইমাম প্রমূখ আবাসিক শিক্ষার্থী।
স্মারকলিপিতে বলা হয়, দেশের প্রথম প্রতিষ্ঠিত পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়, যা শহীদ জিয়াউর রহমান কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত। অথচ তাঁর নামানুসারে প্রতিষ্ঠিত শহীদ জিয়াউর রহমান হলটি দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে নানা দিক থেকে বঞ্চিত অবস্থায় ছিল। আমরা শহীদ জিয়াউর রহমান হলের আবাসিক শিক্ষার্থীরা দীর্ঘদিন ধরে হল সংশ্লিষ্ট কিছু গুরুত্বপূর্ণ সমস্যার সম্মুখীন হয়ে আসছে যা রমজান মাস ও ক্যাম্পাস ছুটির সময় আরও প্রকট হয়ে ওঠে।
এছাড়া সাদ্দাম হোসেন হল ও শাহ আজিজুর রহমান হলেও একই সমস্যা রয়েছে বলে জানান তারা।
স্মারকলিপিতে আবাসিক হলগুলোতে বিদ্যমান সমস্যার মধ্যে নিম্নমানের খাবার, অপরিষ্কার পরিবেশনা, হলের ওয়াশরুম ও টয়লেটসহ রান্নাঘরের অপরিচ্ছন্নতা, রমজান ও ক্যাম্পাস ছুটির সময় অধিকাংশ শিক্ষার্থী হল ত্যাগে হলের নিরাপত্তার ঘাটতি অন্যতম।
আরও পড়ুনঃ বীরগঞ্জে ‘ইউএস প্রকল্প’-এর নামে চাকরির প্রলোভনে প্রতারণার অভিযোগ
সংগঠনটির প্রধানতম দাবি, ডাইনিংয়ে মানসম্মত খাবার নিশ্চিতকরণ, ওয়াশরুমের পরিচ্ছন্নতা রক্ষা, আবাসিক শিক্ষার্থীদের জন্য ইফতার আয়োজন, রমজান ও ছুটিকালীন নিরাপত্তা বৃদ্ধি করা।
সংগঠনের নেতাকর্মীরা বলেন, উপস্থাপিত বিষয়সমূহ বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করলে আবাসিক হলের সার্বিক পরিবেশ আরও সুন্দর, নিরাপদ ও শিক্ষাবান্ধব হবে।
শহীদ জিয়াউর রহমান হল প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. আব্দুল গফুর গাজী বলেন, ছাত্রদের দাবির প্রেক্ষিতে তৎক্ষনাৎ ডাইনিং ম্যানেজারের সাথে কথা বলেছি রমজানে খাবারের মান কোনোভাবে খারাপ না হয়। খাবার উন্নত করতে সকল ব্যবস্থা নিতে বলেছি। হলে ইফতার বিষয়ে প্রভোস্ট কাউন্সিলে আলোচনা হয়েছে, সবাই একমত হয়েছে কিন্তু এখনো তারিখ নির্ধারণ হয়নি। আর নিরাপত্তা বিষয়ে সার্বিক খোঁজখবর রাখছি।



