spot_img

― Advertisement ―

spot_img

রাষ্ট্র সংস্কার ও শাসনব্যবস্থা পুনর্গঠনের বার্তা দিয়ে জামাতের ইশতেহার

নির্বাচনী ইশতেহারে জামাতের অঙ্গীকার পূর্ণাঙ্গ রাষ্ট্র সংস্কার ও শাসনব্যবস্থা পুনর্গঠন। প্রকাশিত দলীয় ইশতেহারে রাষ্ট্র পরিচালনার মৌলিক কাঠামো থেকে শুরু করে বিচার বিভাগ, নির্বাচন ব্যবস্থা,...
প্রচ্ছদশিক্ষা ও শিক্ষাঙ্গনক্যাম্পাসবাকৃবিতে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ,ছাত্র ইউনিয়নের কার্যালয়ে হামলা

বাকৃবিতে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ,ছাত্র ইউনিয়নের কার্যালয়ে হামলা

জেলা প্রতিনিধিঃ

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষের সময় ছাত্র ইউনিয়নের কার্যালয়ে হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ সময় ইটের আঘাতে ছাত্র ইউনিয়ন বাকৃবি সংসদের সভাপতিসহ ছাত্র ইউনিয়নের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার (১২ মার্চ) ইফতারের পূর্ব মুহূর্তে ছাত্র ইউনিয়নের কার্যালয়ে হামলা করে বাকৃবি শাখা ছাত্রলীগ। পরে ছাত্র ইউনিয়নের এক প্রতিবাদ লিপিতে ওই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানানো হয়।

প্রতিবাদ লিপিতে জানানো হয়, রমজান উপলক্ষে ছাত্র ইউনিয়ন কার্যালয়ে পূর্ব নির্ধারিত ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠানে ছাত্র ইউনিয়নের নেতাকর্মীরা সমবেত হতে থাকেন। হঠাৎ জব্বার মোড়ে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ শুরু হলে সংগঠন কার্যালয়ে ব্যাপক ইট পাটকেল নিক্ষেপ এবং ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।

এই ঘটনার ছাত্র ইউনিয়ন বাকৃবি সংসদের সভাপতি রফিকুল ইসলাম রফিক এবং সাধারণ সম্পাদক তারেক আবদুল্লাহ বিন আনোয়ার এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, রমজান মাসের পবিত্রতার তোয়াক্কা না করেই যে ন্যাক্কারজনক ভাবে ছাত্রলীগের দু পক্ষ সংঘর্ষে লিপ্ত হয়েছে তাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থী সহ সকলের নিরাপত্তা হুমকির সম্মুখীন হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন উক্ত ঘটনা নিয়ন্ত্রণের জন্য ন্যূনতম প্রচেষ্টা চালায়নি। ছাত্র ইউনিয়ন বাকৃবি সংসদ এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানায় এবং ঘটনার সাথে জড়িতদের শাস্তির দাবি জানায়।

ঘটনার সূত্রপাত হয় রোজী জামাল হল এবং বেগম রোকেয়া হলের সীমানা প্রাচীর নির্মাণকে কেন্দ্র করে। পরবর্তীতে সংঘর্ষ ব্যাপক আকার ধারণ করে এবং ইফতারের সময়েও সংঘর্ষ চলতে থাকে।

এ বিষয়ে শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি খন্দকার তায়েফুর রহমান রিয়াদ বলেন, এ বিষয়ে আমি আসলে জানি না। তবে তাদের যে অভিযোগ ঢিল ছোড়ার, সেটি যদি সত্যি ঘটেও থাকে, তবে আমি মনে করি সেটা উদ্দেশ্যমূলকভাবে করে নাই।