spot_img

― Advertisement ―

spot_img

৯ এপ্রিল বগুড়া-৬ উপনির্বাচন ও শেরপুর-৩ আসনে ভোটের সম্ভাবনা

আগামী ৯ এপ্রিল বগুড়া-৬ উপনির্বাচন এবং প্রার্থীর মৃত্যুজনিত কারণে বাতিল হওয়া শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইসি...
প্রচ্ছদজাতীয়ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার ঘোষণা মোহসিন রশীদের

ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার ঘোষণা মোহসিন রশীদের

বাংলাদেশ মুসলিম লীগ–এর সভাপতি ও সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী মোহসিন রশীদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস–এর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ এনে মামলা করার ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি দাবি করেন, ইউনূসের কর্মকাণ্ড শুধু সংবিধান লঙ্ঘনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং তা রাষ্ট্রদ্রোহের পর্যায়ে পড়ে। সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ না নিলে তিনি নিজেই আইনগত ব্যবস্থা নেবেন বলে জানান।

সোমবার সাংবাদিক মঞ্জুরুল আলম পান্নার ইউটিউব চ্যানেল ‘মানচিত্র’–এ অংশ নিয়ে মোহসিন রশীদ এসব মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর পদ শূন্য হওয়ার পর রাষ্ট্রপতিই একমাত্র সাংবিধানিক পদে অধিষ্ঠিত ব্যক্তি ছিলেন। সেই রাষ্ট্রপতির সঙ্গে যথাযথ যোগাযোগ না রাখা, গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত সিদ্ধান্তের আগে তাকে অবহিত না করা এবং সাংবিধানিক শিষ্টাচার উপেক্ষা করা গুরুতর লঙ্ঘন। “এটি শুধু সংবিধান লঙ্ঘন নয়, ইটস ট্রিজন,”—বলেন তিনি।

মোহসিন রশীদ অভিযোগ করেন, রাষ্ট্রপতিকে তার সাংবিধানিক দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে দেওয়া হয়নি। তাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে মানসিক চাপে রাখা হয়েছে এবং পাঠানো নথিতে সই করানো হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। রাষ্ট্রপতি সহযোগিতা না করলে রাষ্ট্রে অচলাবস্থা সৃষ্টি হতে পারত উল্লেখ করে তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের প্রতীক; তাকে যথাযথ সম্মান না দেখানো রাষ্ট্রের মর্যাদা ক্ষুণ্ন করার শামিল।

তিনি আরও বলেন, একজন সাবেক উপদেষ্টা রাষ্ট্রপতিকে ‘চোর’ বলে আখ্যা দিয়েছেন, যা রাষ্ট্রীয় শিষ্টাচারবিরোধী। প্রেস উইং অপসারণ, বঙ্গভবন ঘেরাও এবং রাষ্ট্রপতিকে অপসারণের চেষ্টা—এসব ঘটনার সঙ্গে ড. ইউনূসের সম্পৃক্ততা বা নীরব সমর্থন ছিল কি না তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিটি বা কমিশন গঠন করা উচিত বলেও মত দেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ মানসম্মত খাবার, রমজানে ইফতার ও নিরাপত্তাসহ চার দাবিতে ইবি ছাত্রদলের স্বারকলিপি

ইউনূসের নেতৃত্বাধীন উপদেষ্টা পরিষদের কয়েকজন সদস্যের বিরুদ্ধেও তদন্তের দাবি জানান মোহসিন রশীদ। তিনি বলেন, রাষ্ট্র কোনো খেলার বিষয় নয়; রাষ্ট্রের ক্ষতি হয়েছে কি না তা নিরপেক্ষভাবে অনুসন্ধান করা প্রয়োজন।

সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদ চ্যালেঞ্জ করার প্রসঙ্গ তুলে তিনি জানান, এ বিষয়ে তিনি আদালতে গেছেন এবং রায়ের সার্টিফায়েড কপির জন্য আবেদন করেছেন। রায় হাতে পেলে তিনি রিভিউ করবেন বলেও জানান। ভবিষ্যতে যেন কোনো অবৈধ বা অসাংবিধানিক অন্তর্বর্তীকালীন সরকার না আসে, সে বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।

মোহসিন রশীদ বলেন, সরকার যদি কোনো অনুসন্ধান কমিটি গঠন না করে, তবে তিনি নিজেই নোটিশ দিয়ে মামলার উদ্যোগ নেবেন এবং ড. ইউনূসকে পক্ষভুক্ত করবেন। “আগেও করেছি, আবারও করব,”—বলেন তিনি।