

ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি রেজাউল করিম মল্লিককে ঘিরে আবারও একটি মহল পরিকল্পিত অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তার ঘনিষ্ঠ সূত্র ও সহকর্মীদের দাবি, আসন্ন পদোন্নতিকে কেন্দ্র করে একটি চক্র সক্রিয় হয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে তার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা চালাচ্ছে।
সূত্রগুলোর ভাষ্য, অতিরিক্ত আইজিপি পদে সম্ভাব্য পদোন্নতি এবং গুরুত্বপূর্ণ ইউনিটে পদায়নের সম্ভাবনাকে সামনে রেখে একটি গোষ্ঠী উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তার বিরুদ্ধে অসত্য তথ্য প্রচার করছে। কখনো আর্থিক অনিয়ম, কখনো পদায়ন সংশ্লিষ্ট অভিযোগ এনে তাকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
তবে এ বিষয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হলো—ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি হিসেবে রেজাউল করিম মল্লিকের দায়িত্ব গ্রহণের বিষয়টি সরকারি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে আগেই নিশ্চিত হয়েছে। ২০২৫ সালের মে মাসে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে তাকে ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি হিসেবে পদায়ন করা হয়।
এছাড়া সম্প্রতি তার নাম ব্যবহার করে ওসি পদায়নের নামে প্রতারণার অভিযোগে পুলিশের পক্ষ থেকেও সতর্কতা জারি করা হয়েছে। একটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, থানায় ওসি পদায়নের এখতিয়ার সংশ্লিষ্ট জেলার পুলিশ সুপারের, রেঞ্জ ডিআইজির নয়। ফলে এ ধরনের আর্থিক লেনদেন বা প্রতিশ্রুতির সঙ্গে তার নাম জড়ানো সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও প্রতারণামূলক বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ অন্তর্বর্তী সরকার হামের টিকা দেশে আনেনি, ফলে অনেক শিশু মারা গেছে : স্পিকার হাফিজ
ঘনিষ্ঠজনদের দাবি, পেশাগত প্রতিযোগিতা এবং পদোন্নতি প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করার লক্ষ্যেই এ অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। তাদের মতে, একটি নির্দিষ্ট গ্রুপ দীর্ঘদিন ধরে তাকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে যাওয়া থেকে বিরত রাখতে নানা ধরনের চাপ সৃষ্টি করে আসছে।
রেজাউল করিম মল্লিক ১৯৯৮ সালে ১৭তম বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের মাধ্যমে বাংলাদেশ পুলিশে যোগ দেন। পরবর্তীতে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন শেষে তিনি ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। দায়িত্ব পালনকালে বিভিন্ন স্পর্শকাতর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি দক্ষতার সঙ্গে মোকাবিলা করেছেন বলেও সহকর্মীরা উল্লেখ করেছেন।
বিশ্লেষকদের মতে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিস্তারের ফলে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে যাচাই-বাছাই ছাড়াই অপপ্রচার চালানো এখন সহজ হয়ে গেছে। তাই এ ধরনের তথ্য বিশ্বাসের আগে নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে যাচাই করা জরুরি।