

স্পোর্টস ডেস্কঃ সিরিজ নির্ধারণী তৃতীয় ওয়ানডেতে পাকিস্তানকে ১১ রানে হারিয়ে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জিতেছে বাংলাদেশ।
২৯১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শেষ পর্যন্ত ৫০ ওভারে ২৭৯ রানে অলআউট হয় পাকিস্তান। বাংলাদেশের হয়ে তাসকিন আহমেদ ৪টি এবং মুস্তাফিজুর রহমান ৩টি উইকেট নেন। পাকিস্তানের হয়ে সালমান আলি আগা সেঞ্চুরি করলেও তা দলকে জয় এনে দিতে পারেনি।
লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই তাসকিন আহমেদ ও নাহিদ রানার গতির তোপে ভেঙে পড়ে পাকিস্তানের টপ-অর্ডার। মাত্র ১৭ রানেই ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় সফরকারীরা। একশ রানের আগেই ৫ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে প্রায় ছিটকে পড়েছিল তারা।
তবে সেখান থেকে লড়াইয়ের চেষ্টা করেন আব্দুল সামাদ ও সাদ মাসুদ। পরে একাই দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন সালমান আলি আগা। দুর্দান্ত সেঞ্চুরি করে ম্যাচে ফেরার আশা জাগান তিনি।
কিন্তু পাকিস্তানের জয়ের আশা যখন বড় হচ্ছিল, তখন ত্রাতা হয়ে আসেন তাসকিন আহমেদ। তার দুর্দান্ত এক ডেলিভারিতে আউট হন সালমান, তাতেই ভেঙে পড়ে পাকিস্তানের শেষ আশা।
বাংলাদেশের হয়ে তাসকিন আহমেদ ৪টি উইকেট নেন। মুস্তাফিজুর রহমান শিকার করেন ৩টি উইকেট। এছাড়া নাহিদ রানা ২টি এবং রিশাদ হোসেন নেন ১টি উইকেট।
এর আগে ব্যাটিংয়ে নেমে দারুণ শুরু পায় বাংলাদেশ। দুই ওপেনার মিলে শক্ত ভিত গড়ে বিনা উইকেটে দলীয় সংগ্রহ একশ রানে পৌঁছে দেন। তবে সেই জুটি ভাঙে শাহিন শাহ আফ্রিদির ওভারে। বোল্ড হয়ে ৩৬ রান করে সাজঘরে ফেরেন সাইফ হাসান।
আরও পড়ুনঃ ইবিতে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ সংক্রান্ত সংবাদ ভিত্তিহীন: প্রশাসন
অন্যপ্রান্তে তানজিদ তামিম ৯৮ বল খেলে তিন অঙ্ক স্পর্শ করেন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এটি তার প্রথম সেঞ্চুরি। তবে সেঞ্চুরির পর হাত মেলে খেলতে গিয়ে ১০৭ বলে ১০৭ রান করে আবরার আহমেদের বলে আউট হন এই ওপেনার।
এরপর লিটন দাস ও তাওহিদ হৃদয় ইনিংস এগিয়ে নেন। ৫১ বলে ৪১ রান করে লিটন আউট হলে পরের বলেই গোল্ডেন ডাকে ফেরেন রিশাদ হোসেন। শেষদিকে হৃদয় ৪৪ বলে ৪৮ রান করে অপরাজিত থাকেন এবং নির্ধারিত ওভার শেষে ২৯০ রান তুলে লড়াইয়ের পুঁজি পায় বাংলাদেশ।
পাকিস্তানের হয়ে ৩ উইকেট নেন হারিস রউফ, আর আবরার আহমেদ ও শাহিন শাহ আফ্রিদি নেন একটি করে উইকেট।