― Advertisement ―

spot_img

উচ্চশিক্ষার সংকট: দক্ষ গ্র্যাজুয়েট তৈরির পথে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ শিক্ষক প্রশিক্ষণ

সামরিক জগতে একটি বহুল প্রচলিত প্রবাদ রয়েছে—‘কঠিন প্রশিক্ষণ, সহজ যুদ্ধ’। অর্থাৎ প্রশিক্ষণ যত কঠোর ও বাস্তবসম্মত হবে, যুদ্ধক্ষেত্রে সাফল্যের সম্ভাবনা তত বাড়বে। একজন সৈনিকের...
প্রচ্ছদসারা বাংলাযুবদলের সাবেক সভাপতিকে মারধর, প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

যুবদলের সাবেক সভাপতিকে মারধর, প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি: নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার বাকলজোড়া ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সভাপতি ও ইউনিয়ন বিএনপি‘র সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৌদি প্রবাসী আবু সুফিয়ান সহ অন্যান্যদের ওপর ব্যপক মারধরের অভিযোগ ওঠেছে।

রোববার দুপুরে ওই ইউনিয়নের বিএনপি নেতা মোঃ আলাল মিয়া গংদের বিরুদ্ধে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ অভিযোগ তুলে ধরেন আবু সুফিয়ান সহ অন্যান্য ভুক্তভুগিরা।    

এ উপলক্ষে দুর্গাপুর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে অভিযোগ তুলে ধরে আবু সুয়িান বলেন, গত শনিবার (০২ নভেম্বর) বিকেলে কুমুদগঞ্জ বাজারে, বিএনপি‘র ইউনিয়ন দলীয় কার্যালয়ে আমাকে ডেকে নিয়ে ওই এলাকার মো. নুরুল ইসলামের ছেলে বিএনপি নেতা, মো. আলাল মিয়া, মো. জলিল মিয়া, মো. কাজল মিয়া সহ আরো ৬-৭ জন সার্থন্বেষী দলীয় নেতারা, আমাকে মেরে ফেলার উদ্দেশ্যে আমার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

পরে আমার ডাক চিৎকারে আমার ভাই মাওঃ আবুল হোসাইন এবং ভাতিজা মনিরুজ্জামান বাবু এসে রক্তাক্ত অবস্থায় আমাকে উদ্ধার করে। নেতারা, আমার আরেক ভাই সাবেক ইউপি সদস্য আবুল বাশার ও আরেক ভাতিজা হাফেজ নাঈম হোসেনকেও গুরুতর আহত করে। ওদের হাত থেকে বাঁচাতে আমার দুই ভাই এবং এক ভাতিজাকে স্থানীয়রা একটি দোকান ঘরে নিয়ে তালাবদ্ধ করে রাখে।

পরবর্তিতে আমি গুরুতর অসুস্থ্য অবস্থায় দুর্গাপুর থানায় এবং স্থানীয় সেনাক্যাম্পে বিষয়টি জানাইলে সেনাসদস্যদের সহায়তায় ওই ঘর থেকে তাদের উদ্ধার করে স্থানীয়দের সহায়তায় উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে পাঠানো হয়।  

আরও পড়ুনঃ কুয়াকাটায় উচ্ছেদ অভিযানকে ঘিরে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের বিক্ষোভ, দাবি পুনর্বাসনের

তিনি আরো বলেন, দলীয় প্রভাব খাটিয়ে এলাকায় নিরব চাঁদাবাজি, জুয়ার বোর্ড, গাঁজা, ইয়াবা এমনকি রামনগর ঋষিপাড়ায় বাংলা মদ উৎপাদনের অনুমতি প্রদান করে। আমি এর প্রতিবাদ করতে গেলে আমার ওপর এই হামলা চালানো হয়। দীর্ঘ ২৩ বছর বিএনপি‘র রাজনীতি করে আজ বিএনপি‘র নেতাকর্মী দ্বারাই গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে আমরা হাসপাতালে চিকিৎধীন অবস্থায় আছি। এ বিষয়ে উপজেলার দলীয় নেতাদের কাছে জানিয়েছি। আমি আমার ওপর এই অতর্কিত হামলার সুষ্ঠ বিচার দাবী করছি। সেইসাথে অত্র ইউনিয়নের যুব সমাজকে নেশার হাত থেকে রক্ষা, দলীয় প্রভাব বিস্তার না করা সহ এলাকায় নিরব চাঁদাবাজি বন্ধের দাবী জানাচ্ছি। এ সময় অন্যদের মধ্যে মাওঃ আবুল হোসাইন, আবুল বাশার, মনিরুজ্জামান বাবু, আবু ইউসুফ, নাঈম হোসাইন, আজিম উদ্দিন, আক্কাছ মিয়া, জালাল রনি সহ গ্রামবাসীরা উপস্থিত ছিলেন।