spot_img

― Advertisement ―

spot_img

ইবি দুই শিক্ষার্থী গুমের ১৪ বছর: সন্ধানের দাবিতে মানববন্ধন

তানিম তানভীর, ইবি প্রতিনিধিঃ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) দুই শিক্ষার্থী গুমের ১৪ বছর পূর্ণ হলেও তাদের সন্ধান মেলেনি। এখনো তাদের খোঁজে প্রতীক্ষায় রয়েছে পরিবার।বুধবার (৪...
প্রচ্ছদশিক্ষা ও শিক্ষাঙ্গনক্যাম্পাসঅভয়ারণ্যের ‘কুহেলিকা’ উৎসবে উৎসবমুখর ইবি ক্যাম্পাস

অভয়ারণ্যের ‘কুহেলিকা’ উৎসবে উৎসবমুখর ইবি ক্যাম্পাস

তানিম তানভীর, ইবি প্রতিনিধিঃ উদ্যোক্তা তৈরির লক্ষ্যকে সামনে রেখে চতুর্থবারের মতো ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) ‘কুহেলিকা উৎসব ১৪৩২’ আয়োজন করেছে সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পরিবেশবাদী সংগঠন ‘অভয়ারণ্য’।

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) থেকে শুরু হওয়া এই উৎসব চলবে বুধবার (২৮ জানুয়ারি) পর্যন্ত। বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদ ভবনের সামনে বটতলা প্রাঙ্গণজুড়ে আয়োজিত এই উৎসবে ২৮টি স্টলে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা তাদের শিল্পকর্ম ও বাংলার গ্রামীণ ঐতিহ্য তুলে ধরেছেন।

সরেজমিনে দেখা যায়, কুহেলিকা উৎসবকে ঘিরে ক্যাম্পাসজুড়ে শিক্ষার্থীদের ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা বিরাজ করছে। শিক্ষার্থীরা নিজ হাতে তৈরি বাহারি ঐতিহ্যবাহী পিঠা, হস্তশিল্প ও কারুকার্যের পসরা সাজিয়ে বসেছেন। কোথাও পিঠার স্বাদ নিতে ভিড়, কোথাও গহনা ও পোশাক দেখায় ব্যস্ততা, আবার কেউ কেউ প্রিয়জনকে চিঠি লিখে সময় কাটাচ্ছেন। পুরো আয়োজনজুড়ে ফুটে উঠেছে বাঙালি সংস্কৃতির বৈচিত্র্য ও প্রাণবন্ত রূপ।

আইন বিভাগের শিক্ষার্থী রাকিব বলেন, অভয়ারণ্যের এই আয়োজনকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে। সিনিয়র ভাইয়া-আপুরা তাদের তৈরি হস্তশিল্প ও কারুকার্যের পসরা সাজিয়ে বসেছেন, যা শিক্ষার্থীদের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশের একটি অনন্য প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করছে।

আরও পড়ুনঃ ইবিতে আন্দোলন ঠেকাতে যেভাবে নীল নকশা করে আওয়ামীপন্থীরা

এ বিষয়ে অভয়ারণ্যের সভাপতি নাঈমুল ফারাবী বলেন, শীতকে বরণ করে নেওয়ার ভাবনা থেকেই ‘কুহেলিকা’ উৎসবের নামকরণ করা হয়েছে। এবারের উৎসবের প্রধান আকর্ষণ হলো উদ্যোক্তা মেলা। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে যারা নতুন উদ্যোক্তা হতে চান কিংবা ক্ষুদ্র পরিসরে ব্যবসা শুরু করেছেন, তাদের জন্য এই মেলা একটি শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করছে।

তিনি আরও বলেন, কুহেলিকা উৎসবের আরও দুটি বিশেষ অংশ রয়েছে। এর একটি হলো ‘চিঠিবাক্স’, যেখানে যে কেউ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে তার প্রিয়জনকে চিঠি পাঠাতে পারেন এবং সংগঠনের সদস্যরা ডাকপিয়নের ভূমিকা পালন করেন। পাশাপাশি ‘রঞ্জন’ শিরোনামে সাংস্কৃতিক পর্বে শিক্ষার্থীদের তৈরি গান, নাটক, কবিতা ও নৃত্য পরিবেশন করা হয়।