― Advertisement ―

spot_img

ইবিতে মাইকেল মধুসূদন দত্তের স্মরণে দুই দিনব্যাপী সেমিনার অনুষ্ঠিত

তাওহিদ ইসলাম, ইবি প্রতিনিধিঃ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) বাংলা বিভাগ ও বাংলা একাডেমির যৌথ উদ্যোগে বাংলা সাহিত্যের বিশিষ্ট কবি, নাট্যকার, সনেট ও অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক...
প্রচ্ছদশিক্ষা ও শিক্ষাঙ্গনক্যাম্পাসইবিতে মাইকেল মধুসূদন দত্তের স্মরণে দুই দিনব্যাপী সেমিনার অনুষ্ঠিত

ইবিতে মাইকেল মধুসূদন দত্তের স্মরণে দুই দিনব্যাপী সেমিনার অনুষ্ঠিত

তাওহিদ ইসলাম, ইবি প্রতিনিধিঃ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) বাংলা বিভাগ ও বাংলা একাডেমির যৌথ উদ্যোগে বাংলা সাহিত্যের বিশিষ্ট কবি, নাট্যকার, সনেট ও অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক মাইকেল মধুসূদন দত্তের স্মরণে দুই দিনব্যাপী সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার (২৮ জুন) সেমিনারের দ্বিতীয় দিনের আয়োজন বিশ্ববিদ্যালয়ের রবীন্দ্র-নজরুল কলাভবনের গগণ হরকরা গ্যালারিতে অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলা বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. মনজুর রহমানের সভাপতিত্বে আয়োজিত সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন সেমিনার-সিম্পোজিয়াম কমিটির আহ্বায়ক ও বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. রশিদুজ্জামান। আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন বিভাগের অধ্যাপক ড. হাবিবুর রহমান ও অধ্যাপক ড. রবিউল হোসেন। প্রাবন্ধিক হিসেবে অংশ নেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. জি. এম. মনিরুজ্জামান এবং বাংলা একাডেমির উপবিভাগের উপ-পরিচালক সাহেদ মন্তাজ। এছাড়া বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

সেমিনারে বক্তারা মাইকেল মধুসূদন দত্তের জীবন, সাহিত্যকর্ম, বাংলা কাব্যে তাঁর অবদান এবং আধুনিক বাংলা সাহিত্যে তাঁর প্রভাব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তাঁরা বলেন, বাংলা সাহিত্যের নবজাগরণে মধুসূদনের অবদান অনন্য ও যুগান্তকারী। তাঁর সাহিত্যভাবনা, ভাষাশৈলী এবং সৃষ্টিশীলতা বাংলা সাহিত্যকে নতুন মাত্রা দিয়েছে।

আরও পড়ুনঃ বিশ্ববিদ্যালয়ের পার্কিং থেকে মোটরসাইকেল চুরি গেল জবি শিক্ষার্থীর

আলোচনায় বক্তারা আরও বলেন, বাংলা সাহিত্যে সনেট ও অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তনের মাধ্যমে মধুসূদন দত্ত নতুন ধারার সূচনা করেন। তাঁর সাহিত্যকর্ম আজও গবেষণা ও চর্চার গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

প্রধান আলোচক অধ্যাপক ড. হাবিবুর রহমান বলেন, “মধুসূদন হিন্দু কলেজের ছাত্র ছিলেন। তাঁর মধ্যে যে আকাঙ্ক্ষা, প্রশ্ন করার প্রবণতা ও চিন্তার স্বাধীনতা গড়ে উঠেছিল, তার পেছনে শিক্ষক ডিরোজিওর বড় প্রভাব ছিল। ডিরোজিও তাঁকে প্রশ্ন করতে, ভাবতে এবং নতুন দৃষ্টিভঙ্গিতে বিষয়কে দেখতে শিখিয়েছিলেন। মধুসূদনকে বুঝতে হলে শুধু তাঁর সাহিত্য নয়, তাঁর জীবনদর্শন ও মানসিক জগতকেও অনুধাবন করতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, “মধুসূদনের মধ্যে ছিল সীমাহীন স্বপ্ন ও উচ্চাকাঙ্ক্ষা। সেই আকাঙ্ক্ষাই তাঁকে বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ স্রষ্টায় পরিণত করেছে।”

সেমিনারে বক্তারা মাইকেল মধুসূদন দত্তের সাহিত্য ও চিন্তার উত্তরাধিকার নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।