spot_img

― Advertisement ―

spot_img

শেরপুর-২ আসনে গণসংযোগে সরব জামায়াত প্রার্থী গোলাম কিবরিয়া

জায়েদ মাহমুদ রিজন নালিতাবাড়ি প্রতিনিধিঃ শেরপুর-২ (নকলা–নালিতাবাড়ী) সংসদীয় আসনে নির্বাচনী মাঠে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী মু. গোলাম কিবরিয়া। নির্বাচনের সময়...
প্রচ্ছদসারা বাংলাতামাক নিয়ন্ত্রণে শেরপুর সবচেয়ে পিছিয়ে, আইন কঠোরভাবে বাস্তবায়নের দাবি

তামাক নিয়ন্ত্রণে শেরপুর সবচেয়ে পিছিয়ে, আইন কঠোরভাবে বাস্তবায়নের দাবি

জায়েদ মাহমুদ রিজন নালিতাবাড়ি প্রতিনিধিঃ তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়নে দেশের অন্যান্য জেলার তুলনায় শেরপুর জেলা সবচেয়ে পিছিয়ে রয়েছে—এমন বাস্তবতা সামনে এনে আইন কঠোরভাবে কার্যকর করার জোর দাবি উঠেছে। নাগরিক সমাজ ও সংবাদকর্মীদের অংশগ্রহণে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়নের বর্তমান অবস্থা পর্যালোচনা বিষয়ক এক সভা থেকে এ দাবি জানানো হয়।

মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) নালিতাবাড়ী প্রেসক্লাবের মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এই সভার আয়োজন করে ডব্লিউবিবিট্রাস্ট, বাংলাদেশ তামাক বিরোধী জোট, যয়তুন চ্যারিটি বিডি ও সবুজ বাংলা গ্রামীণ উন্নয়ন সংস্থা। সভায় বক্তারা তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়নে প্রশাসনিক দুর্বলতা ও মাঠপর্যায়ের নজরদারির ঘাটতির কথা তুলে ধরেন।

সবুজ বাংলা গ্রামীণ উন্নয়ন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক খন্দকার আব্দুল আলীমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিআরডিবির চেয়ারম্যান ও নালিতাবাড়ী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এম এ রায়হান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন নালিতাবাড়ী পৌর জামায়াতের সেক্রেটারি আব্দুল মোমেন এবং প্রেসক্লাব নালিতাবাড়ীর সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম মনির।

বক্তারা বলেন, দেশে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন থাকা সত্ত্বেও এর যথাযথ বাস্তবায়ন না হওয়ায় জনস্বাস্থ্য মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়ছে। তামাকের ক্ষতিকর প্রভাব সমাজের সব স্তরে ছড়িয়ে পড়ছে, অথচ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর উদ্যোগ চোখে পড়ছে না। তারা তামাকের ভয়াবহতা তুলে ধরে সর্বস্তরের মানুষকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন প্রেসক্লাব নালিতাবাড়ীর সহ-সভাপতি বিপ্লব দে কেটু, যয়তুন চ্যারিটি বিডির প্রোগ্রাম অফিসার আমানুল্লাহ আসিফসহ স্থানীয় সাংবাদিক, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও বিভিন্ন এনজিও প্রতিনিধি।

আরও পড়ুনঃ রাজশাহী কলেজ ক্যারিয়ার ক্লাবের নেতৃত্বে ইসমাইল–বিশাল

সভায় জানানো হয়, ডব্লিউবিবিট্রাস্টের এক গবেষণায় দেশের আটটি বিভাগের ২০টি জেলায় তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়নের চিত্র বিশ্লেষণ করা হয়েছে। গবেষণার ফলাফলে দেখা যায়, এসব জেলার মধ্যে শেরপুর জেলায় আইন বাস্তবায়নের হার সবচেয়ে কম। সরকারি নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও হাসপাতাল, স্কুল, কলেজ, বাসস্টেশন, হোটেল, মোটেল ও লাইব্রেরিসহ বিভিন্ন পাবলিক প্লেসে ‘নো স্মোকিং’ সাইনবোর্ডের ঘাটতি রয়েছে।

সভা থেকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানানো হয় এবং তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়নে প্রশাসনিক তৎপরতা জোরদারের দাবি ওঠে।