
তানিম তানভীর, ইবি প্রতিনিধিঃ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা ছাত্রদলের উদ্যোগে স্বাগত মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (২২ ডিসেম্বর) দুপুর ২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদ ভবন চত্বর থেকে মিছিলটি শুরু হয়। পরে মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে ছাত্রদলের টেন্টে গিয়ে সমাবেশে মিলিত হয়।
মিছিল চলাকালে নেতা-কর্মীরা ‘মা মাটি ডাকছে, তারেক রহমান আসছে’, ‘২৫ তারিখ সারাদিন, ছাত্রদলের খুশির দিন’, ‘২৫ তারিখ সারাদিন, বাংলাদেশের খুশির দিন’, ‘জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল জিন্দাবাদ’, ‘তারেক রহমান আসছে, বাংলাদেশ হাসছে’, ‘তারেক রহমান বীরের বেশে, আসবে ফিরে বাংলাদেশে’সহ নানা স্লোগান দেন। স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে পুরো ক্যাম্পাস এলাকা।
মিছিলটির নেতৃত্ব দেন ইবি শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহেদ আহম্মেদ। এসময় বিএনপিপন্থি শিক্ষক সংগঠন ইউট্যাব ইবি শাখার সভাপতি অধ্যাপক ড. তোজাম্মেল হোসেন, ইবি জিয়া পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম, ছাত্রদলের সদস্য সচিব মাসুদ রুমি মিথুন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাশেদুল ইসলাম, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আনোয়ার পারভেজসহ বিভিন্ন পর্যায়ের শতাধিক নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুনঃ হাদীকে জংলী পোলা বলায় শিক্ষকের বহিষ্কার দাবি ইবির নারী শিক্ষার্থীদের
সমাবেশে বক্তব্যে আহ্বায়ক সাহেদ আহম্মেদ বলেন, বাংলাদেশের নির্বাচন ইনশাল্লাহ আগামী ১২ ফেব্রুয়ারিতেই অনুষ্ঠিত হবে এবং কোনো ষড়যন্ত্রই এই নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করতে পারবে না। তিনি বলেন, দিল্লি বা পিণ্ডি বসে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যে কোনো ষড়যন্ত্র করা হোক না কেন, তা এ দেশের মাটিতে সফল হবে না। তফশিল ঘোষণার পর যারা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে, তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, মুখ কালো করে তালবাহানা করে কোনো লাভ হবে না।
তিনি আরও বলেন, “আগামী ২৫ ডিসেম্বর বাংলাদেশ থেকে লক্ষ লক্ষ মানুষ ঢাকায় সমবেত হবে। আমাদের নেতা জনাব তারেক রহমান দেশে ফিরে এসে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের নেতৃত্ব দেবেন। আমরা গত ১৭ বছর ধরে অন্যায়, নির্যাতন ও নিপীড়নের শিকার হয়েছি। আমাদের পাঁচ হাজারের বেশি নেতা-কর্মী খুন-গুমের শিকার, দেড় লক্ষ মামলা, ৬০ লক্ষ আসামি করা হয়েছে। তবুও আমরা রাজপথে থেকেছি। তারেক রহমান লন্ডন থেকে আমাদের নেতৃত্ব দিয়ে গেছেন। তিনি আমাদের সাংগঠনিক অভিভাবক।”



