spot_img

― Advertisement ―

spot_img

রাষ্ট্র সংস্কার ও শাসনব্যবস্থা পুনর্গঠনের বার্তা দিয়ে জামাতের ইশতেহার

নির্বাচনী ইশতেহারে জামাতের অঙ্গীকার পূর্ণাঙ্গ রাষ্ট্র সংস্কার ও শাসনব্যবস্থা পুনর্গঠন। প্রকাশিত দলীয় ইশতেহারে রাষ্ট্র পরিচালনার মৌলিক কাঠামো থেকে শুরু করে বিচার বিভাগ, নির্বাচন ব্যবস্থা,...
প্রচ্ছদজাতীয়দেশের স্বার্থে আগামীতেও একসঙ্গে কাজ করবে বিএনপি-জামায়াত: ডা. শফিকুর রহমান

দেশের স্বার্থে আগামীতেও একসঙ্গে কাজ করবে বিএনপি-জামায়াত: ডা. শফিকুর রহমান

দেশের স্বার্থে আগামীতেও বিএনপি ও জামায়াত একসঙ্গে কাজ করবে বলে জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, একটি সুন্দর ও স্থিতিশীল দেশ গড়তে মিলেমিশে কাজ করতে জামায়াত অঙ্গীকারবদ্ধ।

বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) বিএনপির গুলশান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠক শেষে এসব কথা বলেন জামায়াতের আমির।

এ সময় তিনি সদ্যপ্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার অবদান স্মরণ করে বলেন, ইতিহাসের একটি বিরল সম্মান নিয়ে তিনি বিদায় নিয়েছেন। বুধবার তার বিদায়ের সংবর্ধনায় মানুষের আবেগ, ভালোবাসা ও চোখের পানি ছিল তার জীবনের কর্মের স্বীকৃতি। জাতির জন্য তিনি যা করেছেন, সেই পাওনাটাই আল্লাহর পক্ষ থেকে তিনি পেয়েছেন বলে মন্তব্য করেন ডা. শফিকুর রহমান।

তিনি আরও বলেন, দেশ বর্তমানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বাঁকে দাঁড়িয়ে আছে। সামনে একই দিনে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। গণভোট হবে সংস্কারের জন্য আর জাতীয় নির্বাচন হবে সরকার গঠনের জন্য। ফেব্রুয়ারির ১২ তারিখের এই নির্বাচন যেন নির্বিঘ্ন ও গ্রহণযোগ্য হয়, সেটিই সবার প্রত্যাশা। এই বিষয়গুলো নিয়েই বিএনপির নেতাদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে বলে জানান তিনি।

আরও পড়ুনঃ ২০২৬ সালের জুনের মধ্যে ছয় ধরনের ভূমি দলিল বাতিল

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দেশের স্বার্থে অতীতেও বিএনপি ও জামায়াত একসঙ্গে কাজ করেছে এবং ভবিষ্যতেও করবে। তারেক রহমানসহ বিএনপির শীর্ষ নেতারাও একই আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করেছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগামী পাঁচ বছরের জন্য জাতির স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে সব পক্ষ মিলেমিশে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নিতে পারবে।

নির্বাচনের পর সরকার গঠনের আগেই আলোচনায় বসার আগ্রহ প্রকাশ করে জামায়াতের আমির বলেন, খোলা মনে জাতির স্বার্থে আলোচনা করা হবে এবং দেশের জন্য সর্বোত্তম সিদ্ধান্ত নেওয়ার চেষ্টা থাকবে। খালেদা জিয়া যে ঐক্যের ভিত্তি রেখে গেছেন, সেই পাটাতনের ওপর দাঁড়িয়ে সবাই যেন দায়িত্ব পালন করতে পারে—এটাই তার প্রত্যাশা।