― Advertisement ―

spot_img

বুটেক্স স্পোর্টস ক্লাবের সভাপতি রিশাদ, সাধারণ সম্পাদক বুলবুল

বুটেক্স প্রতিনিধিঃ বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় (বুটেক্স) স্পোর্টস ক্লাবের ২০২৬–২৭ কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে। নতুন কমিটিতে সভাপতি হিসেবে ৪৮তম ব্যাচের ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্রোডাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের...
প্রচ্ছদসারা বাংলাসখীপুরে সেনা সদস্যের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তা ও শ্লীলতাহানির অভিযোগ

সখীপুরে সেনা সদস্যের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তা ও শ্লীলতাহানির অভিযোগ

সখীপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি: টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলায় এক সেনা সদস্যের বিরুদ্ধে প্রতিবেশী এক তরুণীকে যৌন হেনস্তা ও শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্তের নাম উজ্জ্বল দেওয়ান (৪০), পিতা হেলাল দেওয়ান। তিনি কাকড়াজান ইউনিয়নের আদানি ভূয়াইদ গ্রামের বাসিন্দা এবং বগুড়া ক্যান্টনমেন্টে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে সার্জেন্ট পদে কর্মরত। বর্তমানে তিনি ২ মাসের ছুটিতে গ্রামের বাড়িতে অবস্থান করছেন।

জানা যায়, গত ১৯ এপ্রিল বিকেল ৫টা, উজ্জ্বল দেওয়ান তার ১ বছরের শিশুসন্তানকে কোলে নিয়ে প্রতিবেশী লাল মাহমুদের বাড়িতে যান। এ সময় বাড়িতে একা থাকা লাল মাহমুদের কন্যাকে জোরপূর্বক শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন এবং তার স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী তরুণী কান্নাকাটি শুরু করলে অভিযুক্ত দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন।

সন্ধ্যায় মেয়েটির বাবা-মা বাড়ি ফিরে বিষয়টি জানতে পারেন। ঘটনার পরদিন ২০ এপ্রিল সকালে ভুক্তভোগীর বাবা লাল মাহমুদ বাদী হয়ে সখীপুর থানায় অভিযুক্ত উজ্জ্বল দেওয়ানকে আসামি করে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

বাদী লাল মাহমুদ জানান, “ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে অভিযুক্ত উজ্জ্বল দেওয়ান কয়েকজন লোক নিয়ে আমাদের বাড়িতে এসে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। বর্তমানে আমরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। আমি এই নরপশুর কঠিন বিচার চাই।”

আরও পড়ুনঃ ইবিতে বিভাগের নাম পরিবর্তনের দাবিতে প্রশাসন ভবনে তালা, পাল্টা অবস্থানে শিক্ষার্থীরা

সখীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ জাকির হোসেন বলেন, “অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েছে। তদন্ত করে এখনো পর্যন্ত অভিযোগের পক্ষে যথাযথ সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়নি।”

এলাকার সচেতন মহল জানিয়েছেন, “সেনা সদস্য উজ্জ্বল দেওয়ানের বিরুদ্ধে অতীতেও এমন আচরণের অভিযোগ রয়েছে। তিনি তার সরকারি চাকরির প্রভাব খাটিয়ে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছেন। দ্রুত তাকে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হোক যাতে ভবিষ্যতে কেউ এমন জঘন্য অপরাধ করার সাহস না পায়।”