spot_img

― Advertisement ―

spot_img

সীমান্তে রাস্তা নির্মাণ ইস্যুতে বিজিবি–বিএসএফের ব্যাটালিয়ন পর্যায়ে পতাকা বৈঠক

মোঃ বিপুল মিয়া, ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃ কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী সীমান্তে রাস্তা নির্মাণকে কেন্দ্র করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের মধ্যে ব্যাটালিয়ন...
প্রচ্ছদসারা বাংলাঅনিয়মে নির্মাণ, তিন মাসেই ধসে পড়ে সেতু—সাত বছর ধরে ভোগান্তিতে স্থানীয়রা

অনিয়মে নির্মাণ, তিন মাসেই ধসে পড়ে সেতু—সাত বছর ধরে ভোগান্তিতে স্থানীয়রা

মোঃ বিপুল মিয়া, ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃ কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার বড়ভিটা ইউনিয়নের পশ্চিম ধনিরাম এলাকায় দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে ২০১৭–১৮ অর্থবছরে নির্মিত একটি সেতু নির্মাণের মাত্র তিন মাসের মধ্যেই ধসে পড়ে। প্রায় ৩১ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত সেতুটি সাত বছর ধরে পুনর্নির্মাণ না হওয়ায় আজও চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন স্থানীয় হাজারো মানুষ।

পশ্চিম ধনিরাম আবাসনসংলগ্ন খালের ওপর নির্মিত সেতুটি ভেঙে যাওয়ার পর গ্রামবাসী প্রতিদিন অস্থায়ী ড্রামের ভেলায় ঝুঁকি নিয়ে পারাপার করছেন। বিশেষ করে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, কৃষক ও কর্মজীবী মানুষের যাতায়াত কঠিন হয়ে উঠেছে।

কুটিবাড়ী ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসার দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী সেলিনা খাতুন ও সুমাইয়া খাতুন বলেন, “ভেলায় করে স্কুলে যাওয়া অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। মাঝেমধ্যে পড়ে যাই, বইপত্র ভিজে যায়। বন্যার সময় তো আমরা ওপারের শিক্ষার্থীরা স্কুল কলেজেই যেতে পারি না।”

স্থানীয় বাসিন্দা মোবারক আলী, কোরবান আলী ও জাদু মিয়া জানান, “ব্রিজ ভেঙে যাওয়ার পর সাত বছর পার হলেও কেউ নতুন করে সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেয়নি। প্রতিদিনই ঝুঁকি নিয়ে ভেলায় পার হতে হয়, মাঝেমধ্যেই দুর্ঘটনা ঘটে।”

আরেক বাসিন্দা শাহজালাল বলেন, “সেতুটি হওয়ার পর আমরা খুব খুশি হয়েছিলাম, কিন্তু তিন মাস না যেতেই ভেঙে যায়। তারপর থেকে চরম কষ্টে পারাপার করছি। দ্রুত নতুন সেতু নির্মাণের দাবি জানাচ্ছি।”

আরও পড়ুনঃ লক্ষ্মীপুরে চাঁদার দাবিতে ব্যবসায়ী খুন

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সিরাজউদ্দৌলা বলেন, “সেতুটি ধসে পড়ার পর দুই পাশে মাটিও ধসে গেছে। ফলে খালটি আগের তুলনায় অনেক বিস্তৃত হয়েছে। বর্তমানে পুরোনো নকশা অনুযায়ী নতুন সেতু নির্মাণ সম্ভব নয়।”

উপজেলা প্রকৌশলী মামুনুর রহমান জানান, “আগেরটি দুর্যোগ ও ত্রাণ বিভাগের প্রকল্পে নির্মিত হয়েছিল। কিন্তু রাস্তাটির কোনো সরকারি আইডি নেই। এ কারণে নতুন প্রকল্প অনুমোদনে সমস্যা হচ্ছে।”

স্থানীয়রা দ্রুত সেতু নির্মাণের পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন।