spot_img

― Advertisement ―

spot_img

রাষ্ট্র সংস্কার ও শাসনব্যবস্থা পুনর্গঠনের বার্তা দিয়ে জামাতের ইশতেহার

নির্বাচনী ইশতেহারে জামাতের অঙ্গীকার পূর্ণাঙ্গ রাষ্ট্র সংস্কার ও শাসনব্যবস্থা পুনর্গঠন। প্রকাশিত দলীয় ইশতেহারে রাষ্ট্র পরিচালনার মৌলিক কাঠামো থেকে শুরু করে বিচার বিভাগ, নির্বাচন ব্যবস্থা,...
প্রচ্ছদশিক্ষা ও শিক্ষাঙ্গনক্যাম্পাসশাকসুর ছাত্রদলের ছাত্রীবিষয়ক সম্পাদক পদে ছাত্রলীগ কর্মী

শাকসুর ছাত্রদলের ছাত্রীবিষয়ক সম্পাদক পদে ছাত্রলীগ কর্মী

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি) কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ নির্বাচনে (শাকসু) ছাত্রদল-সমর্থিত ‘সম্মিলিত সাস্টিয়ান ঐক্য’ প্যানেলের ছাত্রী বিষয়ক সম্পাদক পদপ্রার্থী মাহমুদা রিয়ার ছাত্রলীগ সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেছে। শাবিপ্রবি ছাত্রলীগের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের পদপ্রত্যাশী ছিলেন—এমন একটি জীবনবৃত্তান্ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফাঁস হওয়ার পর বিষয়টি সামনে আসে।

জানা যায়, ফাঁস হওয়া ওই জীবনবৃত্তান্তটি মাহমুদা রিয়া নিজেই জমা দিয়েছিলেন বলে নয়া দিগন্তকে স্বীকার করেছেন তিনি। মাহমুদা রিয়া শাবিপ্রবির বাংলা বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। তাঁর বাড়ি গোপালগঞ্জ জেলার সদর উপজেলার বনগ্রামে।

জীবনবৃত্তান্ত পর্যালোচনায় দেখা যায়, মাহমুদা রিয়া নিজেকে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কর্মী হিসেবে উল্লেখ করেছেন। ছাত্রলীগের কমিটিতে পদপ্রত্যাশী হিসেবে তিনি নিজের সাংগঠনিক দক্ষতা তুলে ধরে নিজেকে বৃহত্তর ফরিদপুর অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এবং ‘উত্তরণ লেখক ও পাঠকের সূতিকাগার’ শাবিপ্রবি শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দাবি করেন। একইসঙ্গে তিনি বেগম সিরাজুন্নেসা চৌধুরী হলের আবাসিক শিক্ষার্থী ছিলেন বলেও জীবনবৃত্তান্তে উল্লেখ রয়েছে।

শাবিপ্রবি ছাত্রলীগের সভাপতি মো. খলিলুর রহমানের ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডি সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ১৪ মে শাবিপ্রবির সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ কমিটি বিলুপ্ত করে নতুন কমিটি গঠনের লক্ষ্যে পদপ্রত্যাশীদের কাছ থেকে জীবনবৃত্তান্ত আহ্বান করা হয়। সেখানে ৩০ মে’র মধ্যে জীবনবৃত্তান্ত জমা দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল।

ছাত্রলীগ সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে জানতে চাইলে মাহমুদা রিয়া নয়া দিগন্তকে বলেন, ‘প্রথমত, কারো রাজনৈতিক মতভেদ ভিন্ন থাকতেই পারে। সে বিষয়ে হস্তক্ষেপ করার অধিকার কারো নেই।’

আরও পড়ুনঃ শহীদ ছাত্রদল নেতার কবর জিয়ারত করলেন যশোর-৪’র ধানের শীষ প্রার্থী

জীবনবৃত্তান্ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার বিষয়ে প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, ‘এ ধরনের অপপ্রচারের মাধ্যমে আমাকে মাঠ থেকে সরিয়ে দেওয়া যাবে না। তারা হয়তো এমনটাই ভাবছে। বটবাহিনী যদি মনে করে কিছু পোস্ট দিয়ে তারা হিরো হয়ে যাবে বা আমাকে দুর্বল করে দেবে, তাহলে তারা ভুল করছে। আমি এত সহজে হাল ছেড়ে দেওয়ার মেয়ে নই।’

তিনি আরও বলেন, ‘আরেকটি বিষয় স্পষ্ট করে বলতে চাই, আমি ছাত্রদলের প্যানেলের প্রার্থী নই। এটি ছাত্রদল-সমর্থিত প্যানেল। সেখানে অন্য ১০ জন স্বতন্ত্র প্রার্থীর মতো আমিও একজন। অন্য প্রার্থীদের মতো আমাকেও তারা সমর্থন দিয়েছে। এতেই আমি ছাত্রদলের কেউ হয়ে যাই না।’

এ ঘটনায় শাকসু নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসে নতুন করে আলোচনা ও বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।