― Advertisement ―

spot_img
প্রচ্ছদশিক্ষা ও শিক্ষাঙ্গনক্যাম্পাসরাজনীতি থেকে গবেষণাগারে—গবেষণা অনুদান পেলেন জবি ছাত্রদল নেতা শাহরিয়ার

রাজনীতি থেকে গবেষণাগারে—গবেষণা অনুদান পেলেন জবি ছাত্রদল নেতা শাহরিয়ার

আলি উল আজিম নিলয়, জবি প্রতিনিধিঃ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) গবেষণা কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে মাস্টার্স (থিসিস), এমফিল ও পিএইচডি পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের গবেষণা অনুদান প্রদান করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এ বছর অনুদানপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের ৩ নম্বর যুগ্ম আহ্বায়ক এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের এমফিল গবেষক মো. শাহরিয়ার হোসেন।

সোমবার (২০ জুলাই) সকাল ১১টায় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন–এর সভাপতিত্বে তাঁর কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে নির্বাচিত গবেষকদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুদানের চেক তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, বিভিন্ন ইনস্টিটিউটের পরিচালক, রেজিস্ট্রার, বিভাগীয় চেয়ারম্যান, হল প্রভোস্ট, প্রক্টর, গবেষণা, ছাত্রকল্যাণ, অর্থ ও হিসাব, বহিরাঙ্গণ কার্যক্রম, আইসিটি সেল, পিআরআইপি ও আইকিউএসি–এর পরিচালক, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, কর্মকর্তা সমিতির নেতাসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের এমফিল গবেষক শাহরিয়ার হোসেনের গবেষণার বিষয় ‘Women Access to Information in Bangladesh: A Study on Union Digital Center’। গবেষণায় ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের মাধ্যমে বাংলাদেশের নারীদের তথ্যপ্রাপ্তির সুযোগ, চ্যালেঞ্জ ও বাস্তবতা বিশ্লেষণ করা হবে।

আরও পড়ুনঃ মাভাবিপ্রবিতে নবীন শিক্ষার্থীদের জন্য চার দিনব্যাপী অ্যাডাপটেশন কর্মসূচি

গবেষণা অনুদান গ্রহণের পর শাহরিয়ার হোসেন বলেন, “এই গবেষণা অনুদান আমাকে আরও দায়িত্বশীলভাবে গবেষণাকাজ পরিচালনায় উৎসাহিত করবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণার পরিবেশকে আরও সমৃদ্ধ করতে আমি আন্তরিকভাবে কাজ করতে চাই। ভবিষ্যতে সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য কার্যকর গবেষণার মাধ্যমে ইতিবাচক অবদান রাখাই আমার লক্ষ্য।”

তিনি আরও বলেন, “ছাত্রদল নেতারা কেবল রাজপথেই নয়, একাডেমিক উৎকর্ষ অর্জনেও নিবেদিত। আমরা বিশ্বাস করি, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের মধ্যেও এই স্পৃহা আরও বিকশিত হবে।”

গবেষণাবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদ্যোগের প্রশংসা করে তিনি বলেন, এ ধরনের গবেষণা অনুদান তরুণ গবেষকদের নতুন উদ্যমে কাজ করার সুযোগ সৃষ্টি করে এবং উচ্চশিক্ষায় গবেষণার সংস্কৃতি বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।