spot_img

― Advertisement ―

spot_img

আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগে বিএনপি প্রার্থীর বিরুদ্ধে

মোঃ মাসুদ রানা মনি, লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধিঃ লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসনে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন, কর্মীদের হুমকি-ধমকি ও প্রচারণায় বাধা দেওয়ার অভিযোগ এনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী...
প্রচ্ছদশিক্ষা ও শিক্ষাঙ্গনশিক্ষাশিশুদের ভবিষৎ জিম্মি করে রামগঞ্জে প্রাথমিকের শিক্ষকদের কর্মবিরতি

শিশুদের ভবিষৎ জিম্মি করে রামগঞ্জে প্রাথমিকের শিক্ষকদের কর্মবিরতি

মোঃ মাসুদ রানা মনি, লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধিঃ আগামীকাল ১ ডিসেম্বর থেকে রামগঞ্জে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে বার্ষিক পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা থাকলেও শিক্ষকদের চলমান কর্মবিরতির কারণে এ পরীক্ষা অনিশ্চয়তায় পড়েছে। সারা দেশের মতো রামগঞ্জেও তিন দফা দাবিতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা কর্মবিরতি পালন করছেন, যার প্রভাব পড়েছে শিক্ষাব্যবস্থায়।

রামগঞ্জ উপজেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ১৬১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আগামীকাল বার্ষিক পরীক্ষা হওয়ার কথা থাকলেও কর্মবিরতির কারণে তা অনুষ্ঠিত হবে কি না, তা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও আলিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. ইউসুফ বলেন, “গত ৮ নভেম্বর থেকে তিন দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে আমরা ঢাকা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে কর্মসূচি পালন করি। কর্তৃপক্ষের আশ্বাসে ফিরে এলেও এখনো দাবির বাস্তবায়ন হয়নি। বরং নানা টালবাহানা চলছে। তাই বাধ্য হয়েই শিক্ষকরা কর্মবিরতি পালন করছেন। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এ কর্মসূচি চলবে।”

আরও পড়ুনঃ বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় ইবিতে দোয়া মাহফিল

রামগঞ্জ উপজেলা শিক্ষক সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ আবুল বাশার বলেন, “শিক্ষকদের তিনটি দাবি—১০ম গ্রেড প্রদান, ১০ ও ১৬ বছর অন্তর টাইমস্কেল, এবং শতভাগ পদোন্নতির ব্যবস্থা—এগুলো অত্যন্ত যৌক্তিক। একই যোগ্যতায় অন্যান্য বিভাগে কর্মকর্তারা ১০ম গ্রেডে চাকরি করছেন, কিন্তু প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষকরা কোনো পদোন্নতি ছাড়াই পুরো চাকরি জীবন শেষ করছেন। তাদের দাবিকে অযৌক্তিক বলা যাবে না।”

শিক্ষকদের দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়ে তিনি আরও বলেন, “সরকার দ্রুত তাদের দাবি বাস্তবায়ন করলে শিক্ষাপ্রবাহ স্বাভাবিক হবে। অন্যথায় কর্মবিরতি চলতে থাকলে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।”

চলমান পরিস্থিতিতে অভিভাবক ও পরীক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্টদের মধ্যে চরম অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে। এখন অপেক্ষা শুধু কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের।