― Advertisement ―

spot_img

অন্তর্বর্তী সরকারের ১৩৩টি অধ্যাদেশ যাচাই-বাছাই, গুরুত্বপূর্ণ ২০টি অধ্যাদেশ বিলুপ্তর সুপারিশ

ঢাকা প্রতিনিধি: সংসদীয় বিশেষ কমিটি অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশ যাচাই-বাছাই শেষে প্রতিবেদন তৈরি করেছে যেখানে বিএনপি গুরুত্বপূর্ণ ২০টি অধ্যাদেশ বিলুপ্ত করার...
প্রচ্ছদজাতীয়হরমুজে বাংলাদেশি ৬ জাহাজের অনুমতি, তবে ৫টিরই চালান বাতিল

হরমুজে বাংলাদেশি ৬ জাহাজের অনুমতি, তবে ৫টিরই চালান বাতিল

বাংলাদেশের অনুরোধে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জ্বালানি বহনকারী ছয়টি জাহাজ চলাচলের অনুমতি দিয়েছে ইরান। তবে এর মধ্যে পাঁচটি এলএনজি চালান ইতোমধ্যে বৈশ্বিক সরবরাহকারীরা বাতিল করেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

পেট্রোবাংলার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তেহরানে পাঠানো জাহাজের তালিকাটি পুরোনো আমদানি পরিকল্পনা ও নথির ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছিল। এতে কাতারএনার্জি এবং ওমানভিত্তিক ওকিউ ট্রেডিংয়ের ঘোষিত ‘ফোর্স মেজর’ পরিস্থিতি বিবেচনায় নেওয়া হয়নি। ইরানকে ঘিরে সাম্প্রতিক যুদ্ধ পরিস্থিতি শুরুর পর মার্চের শুরুতেই প্রতিষ্ঠান দুটি সব ধরনের সরবরাহ স্থগিত করে।

জ্বালানি বিভাগের পাঠানো তালিকায় এপ্রিল মাসে সরবরাহের জন্য পাঁচটি এলএনজি কার্গোর উল্লেখ ছিল। এর মধ্যে চারটি কাতারএনার্জির এবং একটি এক্সিলারেট এনার্জির। তবে পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান আরফানুল হক জানিয়েছেন, এসব চালান বর্তমানে আর কার্যকর নেই। কারণ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের স্থগিতাদেশ অন্তত ৮ মে পর্যন্ত বাড়িয়েছে।

তিনি বলেন, যুদ্ধ শুরুর পর বাতিল হয়ে যাওয়া চালানের জাহাজের তালিকা কেন ইরানে পাঠানো হয়েছে, তা তাদের জানা নেই। তার ভাষায়, ‘ফোর্স মেজরের কারণে এপ্রিল মাসে কাতারএনার্জির কোনো এলএনজি কার্গো নেই। তালিকাভুক্ত জাহাজগুলো কার্যত অস্তিত্বহীন।’

আরও পড়ুনঃ ফুলবাড়ীতে অবৈধভাবে মাটি উত্তোলন, ভ্রাম্যমাণ আদালতে লাখ টাকা জরিমানা

নাম প্রকাশ না করার শর্তে জ্বালানি বিভাগের এক কর্মকর্তা স্বীকার করেছেন, ‘ফোর্স মেজর’ পরিস্থিতির মেয়াদ নিয়ে অনিশ্চয়তার কারণে যুদ্ধ-পূর্ব আমদানি পরিকল্পনার তথ্যই ইরানে পাঠানো হয়েছিল। তবে তিনি এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে মন্তব্য করতে রাজি হননি।

জ্বালানি বিভাগের যুগ্মসচিব (অপারেশন) মনির হোসেন চৌধুরী বলেন, কিছু জাহাজ ‘ফোর্স মেজর’-এর আওতায় থাকলেও অপরিশোধিত তেলবাহী জাহাজটি এর বাইরে রয়েছে। এলএনজি সরবরাহকারীদের সঙ্গে আলোচনা করে জাহাজগুলো আনা সম্ভব কি না, তা খতিয়ে দেখতে পেট্রোবাংলাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে মধ্যপ্রাচ্য থেকে জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন সৃষ্টি হওয়ায় বাংলাদেশ ইতোমধ্যে স্পট মার্কেট থেকে উচ্চমূল্যে এলএনজি কিনতে বাধ্য হয়েছে বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।