spot_img

― Advertisement ―

spot_img

দেশে এক মাসের জ্বালানি তেলের মজুত রয়েছে—মন্ত্রিপরিষদ সচিব

স্টাফ রিপোর্টার: দেশে বর্তমানে প্রায় এক মাসের জ্বালানি তেলের মজুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি। বুধবার (২৫ মার্চ) সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে...
প্রচ্ছদশিক্ষা ও শিক্ষাঙ্গনক্যাম্পাসক্যাফেটেরিয়ার চুক্তি না মানায় বেরোবি উপাচার্যকে আইনি নোটিশ

ক্যাফেটেরিয়ার চুক্তি না মানায় বেরোবি উপাচার্যকে আইনি নোটিশ

বেরোবি প্রতিনিধিঃ রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) ক্যাফেটেরিয়া পরিচালনার চুক্তি ভঙ্গ করে জামানতের টাকা আটকে রাখার অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ট্রেজারারের দায়িত্বে) প্রফেসর ড. মো. শওকাত আলীর বিরুদ্ধে উকিল নোটিশ দিয়েছেন সাবেক ইজারাদার, সেইফ এন্ড সেভ রেস্টুরেন্টের সত্ত্বাধিকারী মুরাদ মাহমুদ।

শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) রাতে গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন মুরাদ মাহমুদ নিজেই।

গত ১৩ আগস্ট প্রদত্ত আইনি নোটিশ সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের ৩১ জুলাই বেরোবি ক্যাফেটেরিয়া পরিচালনার জন্য পাঁচ বছরের চুক্তি হয় সেইফ এন্ড সেভ রেস্টুরেন্টের সত্ত্বাধিকারী মুরাদ মাহমুদের সঙ্গে। তবে লোকসানের কারণে তিনি চুক্তির ৪ নম্বর ধারা অনুযায়ী (যেখানে তিন মাসের নোটিশে চুক্তি বাতিলের সুযোগ রাখা আছে) ২০২৪ সালের ১৪ মে আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তি বাতিলের আবেদন করেন।

এ ছাড়া চুক্তির ১ নম্বর ধারা অনুযায়ী প্রতি বছর নবায়নের বাধ্যবাধকতা থাকলেও তা নবায়ন না করায় ২০২৪ সালের ১ আগস্টের পর থেকে চুক্তি কার্যত বাতিল হয়ে যায়।

কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ইজারাদারকে অব্যাহতি না দিয়ে তার সমস্ত ক্রোকারিজ মালামাল এবং জামানতের ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা আটকে রাখে। এর ফলে ব্যবসায়িক ও আর্থিকভাবে প্রায় ৫ লাখ টাকার ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন বলে দাবি করেন মুরাদ মাহমুদ। দীর্ঘ এক বছর পর ২০২৫ সালের ৯ আগস্ট তার মালামাল ফেরত দেওয়া হলেও জামানতের টাকা এখনও ফেরত পাননি। এ অবস্থায় জামানত ফেরত ও ক্ষতিপূরণ বাবদ ৫ লাখ টাকা দাবিতে আইনি নোটিশ পাঠান তিনি।

আরও পড়ুনঃ বিশ্বসেরা গবেষকের তালিকায় বেরোবির দুই শিক্ষক ও এক শিক্ষার্থী

এ প্রসঙ্গে মুরাদ মাহমুদ বলেন, “চুক্তির সব নিয়ম মেনে আমি বাতিলের আবেদন করেছিলাম। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আমার মালামাল এক বছর আটকে রেখেছে এবং ফেরতযোগ্য জামানতও দেয়নি। এতে আমি বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছি, তাই বাধ্য হয়ে আইনের আশ্রয় নিতে হয়েছে।”

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ড. মো. হারুন-অর-রশিদ বলেন, “আইনি নোটিশ এসেছে কি না, তা আমার জানা নেই। তবে তার সঙ্গে আমাদের সরাসরি কথা হয়েছে। উনার কয়েক মাসের ভাড়া বাকি ছিল, যা আমরা জামানত থেকে কেটে নিয়েছি। আর অবশিষ্ট টাকা মওকুফ করে দেওয়া হয়েছে।”