― Advertisement ―

spot_img

ভুল প্রশ্নে এইচএসসি পরীক্ষা, কেন্দ্র সচিবসহ চারজনকে অব্যাহতি

মোঃ বিপুল মিয়া, ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃ কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী মহিলা ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রে ভুল প্রশ্নপত্রে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার ঘটনায় কেন্দ্র সচিবসহ চারজনকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি...
প্রচ্ছদসারা বাংলাফুলবাড়ীতে হাসপাতালে বাড়ছে শিশু রোগী

ফুলবাড়ীতে হাসপাতালে বাড়ছে শিশু রোগী

মোঃ বিপুল মিয়া, ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃ কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দিন দিন বাড়ছে শিশু রোগীর সংখ্যা। উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রতিদিন অসুস্থ শিশুদের নিয়ে হাসপাতালে ছুটে আসছেন অভিভাবকরা। বর্তমানে প্রতিদিন গড়ে ৪০ থেকে ৫০ জন শিশু বিভিন্ন রোগে চিকিৎসা নিচ্ছে বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

হাসপাতালের আউটডোরে গিয়ে দেখা যায়, শিশুদের নিয়ে চিকিৎসকের কক্ষের সামনে দীর্ঘ অপেক্ষায় রয়েছেন স্বজনরা। কেউ কোলে, কেউ আবার দাদু-নানার হাত ধরে চিকিৎসা নিতে এসেছে। অনেক শিশুর শরীরে ফোসকার মতো দাগ, কারও জ্বর, আবার কেউ সর্দি-কাশিতে ভুগছে। আতঙ্ক আর উৎকণ্ঠা নিয়ে অভিভাবকরা চিকিৎসকের পরামর্শ নিচ্ছেন।

এমনই এক শিশু রোগীকে নিয়ে হাসপাতালে এসেছেন দাদা আব্দুর রহমান। তিনি জানান, তার ১৫ মাস বয়সী নাতনির শরীরে দাগ ও ফোসকার মতো সমস্যা দেখা দিয়েছে। মাঝেমধ্যে জ্বরও আসছে। দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ থাকায় চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয়েছেন তিনি। চিকিৎসাপত্র নেওয়ার পর এখন আল্লাহর ভরসায় আছেন বলেও জানান তিনি।

হাসপাতালের ভেতরে দেখা যায়, নার্সরা শিশুদের ওজন মাপছেন এবং চিকিৎসকেরা মনোযোগ দিয়ে প্রতিটি শিশুর পরীক্ষা করছেন। অনেক অভিভাবকই চেষ্টা করছেন যেন দ্রুত তাদের শিশুকে দেখানো যায়। শিশুদের অসুস্থতা নিয়ে উদ্বেগের ছাপ স্পষ্ট ছিল স্বজনদের চোখেমুখে।

আরও পড়ুনঃ শিক্ষার্থীবান্ধব নীতিমালার দাবিতে ইবি উপাচার্যের কাছে ছাত্রদলের স্মারকলিপি

ফুলবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের শিশু বিশেষজ্ঞ মেডিকেল অফিসার রতন আহমেদ জানান, শিশুদের চিকিৎসাসেবার জন্য হাসপাতালে আইএমসিআই কর্নার চালু রয়েছে। গত সাত দিনে প্রায় ৩০০ শিশুকে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়েছে। প্রতিদিন গড়ে ৪০ থেকে ৫০ জন শিশু বিভিন্ন রোগ নিয়ে হাসপাতালে আসছে।

অন্যদিকে শিশু বিশেষজ্ঞ মেডিকেল অফিসার হাফিজুর রহমান বলেন, আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে শিশুদের মধ্যে সর্দি-কাশি, জ্বর ও ডায়রিয়ার প্রকোপ বেড়েছে। তবে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া শিশুদের অ্যান্টিবায়োটিক না খাওয়ানোর পরামর্শ দেন তিনি। একই সঙ্গে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সবসময় চিকিৎসাসেবা দিতে প্রস্তুত রয়েছে বলেও জানান তিনি।