― Advertisement ―

spot_img
প্রচ্ছদশিক্ষা ও শিক্ষাঙ্গনক্যাম্পাসপানামনগরে তরুণ কলাম লেখক ফোরাম জবি শাখার নবীনবরণ ও বার্ষিক বনভোজন সম্পন্ন

পানামনগরে তরুণ কলাম লেখক ফোরাম জবি শাখার নবীনবরণ ও বার্ষিক বনভোজন সম্পন্ন

আলি উল আজিম নিলয়, জবি প্রতিনিধিঃ বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শাখার উদ্যোগে জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে বার্ষিক বনভোজন ও নবীনবরণ-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (৩১ জুলাই) নারায়ণগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী পানামনগরে দিনব্যাপী এ আয়োজন সম্পন্ন হয়।

অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় সম্পাদকীয় পর্ষদ সদস্য রাকিবুল ইসলামের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জবির ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. শাহ মুহম্মদ নিস্তার জাহান কবীর। এছাড়া আয়োজনের আহ্বায়ক মোসাব্বির এবং সদস্যসচিব সাদিয়া সুলতানা রিমিসহ সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

অধ্যাপক ড. শাহ মুহম্মদ নিস্তার জাহান কবীর বলেন, “পড়াশোনার ব্যস্ততা ও নিয়মের ছকবাঁধা জীবন থেকে বেরিয়ে এমন আয়োজন শিক্ষার্থীদের মানসিক প্রশান্তি দেয়। একই সঙ্গে নবীন ও প্রবীণদের মধ্যে পরিচয়, বন্ধুত্ব এবং একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার সুযোগ সৃষ্টি করে।”

আয়োজনের আহ্বায়ক মোসাব্বির বলেন, “নবীন শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করে নেওয়ার পাশাপাশি পারস্পরিক সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য গড়ে তুলতেই এ আয়োজন। বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একাডেমিক শিক্ষার জায়গা নয়, নেতৃত্ব, সৃজনশীলতা ও মানবিক মূল্যবোধ বিকাশেরও গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র।”

তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম দীর্ঘদিন ধরে লেখালেখি, মুক্তচিন্তা ও সামাজিক সচেতনতা বিকাশে কাজ করছে। নবীনরাও এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে নিজেদের চিন্তা ও লেখনীর দক্ষতা সমৃদ্ধ করতে পারবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।”

আরও পড়ুনঃ জবিতে ক্লাসরুমে সিলিং ফ্যান খুলে পড়ে শিক্ষার্থী আহত

কেন্দ্রীয় সম্পাদকীয় পর্ষদ সদস্য রাকিবুল ইসলাম বলেন, “আদর্শ মানুষ, মানসম্পন্ন লেখক ও দেশপ্রেমিক নাগরিক গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য। ‘সুপ্ত প্রতিভা বিকশিত হোক লেখনীর ধারায়’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে নিয়মিত পাঠচক্র, সেমিনার ও বিভিন্ন সৃজনশীল কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।”

শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও আয়োজনের সদস্যসচিব সাদিয়া সুলতানা রিমি বলেন, “প্রতি বছর চার দেয়ালের মধ্যে নবীনবরণ হলেও এবার আমরা ব্যতিক্রমধর্মী আয়োজন করেছি। পানামনগরের ঐতিহাসিক পরিবেশে নবীনদের স্বাগত জানিয়ে লেখালেখির প্রতি নতুন অনুপ্রেরণা তৈরি করাই ছিল আমাদের উদ্দেশ্য।”

দিনব্যাপী আয়োজনে জবি শাখার কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য, বিভিন্ন বর্ষের শিক্ষার্থী এবং নবীন লেখকরা অংশ নেন। গঠনমূলক আলোচনা, পাঠচক্র, স্মৃতিচারণ এবং পানামনগরের ঐতিহাসিক স্থাপনা পরিদর্শনের মধ্য দিয়ে আনন্দঘন পরিবেশে অনুষ্ঠান শেষ হয়।