― Advertisement ―

spot_img

মে দিবসে বিড়ি শ্রমিকদের সমাবেশ, শুল্ক না বাড়ানোর দাবি

আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস(মে দিবস) উপলক্ষে শ্রমিকদের আত্মত্যাগ, সংগ্রাম ও অধিকার প্রতিষ্ঠার ইতিহাস তুলে ধরে শ্রমিকের ঘামেই দেশের উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক ভিত গড়ে ওঠে বলে...
প্রচ্ছদরাজধানীমে দিবসে বিড়ি শ্রমিকদের সমাবেশ, শুল্ক না বাড়ানোর দাবি

মে দিবসে বিড়ি শ্রমিকদের সমাবেশ, শুল্ক না বাড়ানোর দাবি

আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস(মে দিবস) উপলক্ষে শ্রমিকদের আত্মত্যাগ, সংগ্রাম ও অধিকার প্রতিষ্ঠার ইতিহাস তুলে ধরে শ্রমিকের ঘামেই দেশের উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক ভিত গড়ে ওঠে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ বিড়ি শ্রমিক ফেডারেশনের নেতৃবৃন্দ।

শুক্রবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাব-এর সামনে আয়োজিত সমাবেশে তারা বলেন, মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ থেকে শুরু করে জুলাই গণঅভ্যুত্থানসহ সকল আন্দোলন-সংগ্রামে শ্রমিকদের অংশগ্রহণ ছিল স্বতঃস্ফূর্ত এবং শ্রমিকরাই দেশের উন্নয়নের প্রাণশক্তি।

সকাল ১০টায় প্রেসক্লাবের সামনে ফেডারেশনের সহ-সভাপতি মো. নাজিম উদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক হারিক হোসেনের নেতৃত্বে একটি র‌্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এসময় বক্তারা আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে বিড়ি শিল্পে শুল্ক বৃদ্ধি না করা, শ্রমিকদের মজুরি বাড়ানো, সিগারেট ও বিড়ির অগ্রিম আয়করের বৈষম্য দূর করা, শ্রমিকদের জন্য রেশন সুবিধা চালু এবং নকল বিড়ি উৎপাদন ও বিক্রি বন্ধের দাবি জানান।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, বিড়ি শিল্প একটি শ্রমিকনির্ভর কুটির শিল্প, যা প্রতিষ্ঠালগ্নে শুল্কমুক্ত ছিল। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নীতিগত বৈষম্য ও বিদেশি সিগারেট কোম্পানির প্রভাবের কারণে এ শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে রাজস্ব প্রদানকারী অনেক বিড়ি মালিক কারখানা বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছেন বলে অভিযোগ করেন তারা। তাই শিল্পটি টিকিয়ে রাখতে বাজেটে শুল্ক বৃদ্ধি না করা এবং শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

বক্তারা আরও বলেন, প্রায় ১৮ লাখ সুবিধাবঞ্চিত শ্রমিক এই শিল্পের সঙ্গে জড়িত। তাদের জীবনমান উন্নয়নে রেশন সুবিধা চালু করা জরুরি। একই সঙ্গে তারা অভিযোগ করেন, বিড়ির অগ্রিম আয়কর ১০ শতাংশ হলেও সিগারেটের ক্ষেত্রে তা ৫ শতাংশ—যা বৈষম্যমূলক। এ বৈষম্য দূর করার দাবি জানান তারা।

আরও পড়ুনঃ মে দিবস: শ্রমিকের অধিকার ও ন্যায্য মর্যাদার প্রতীক

এছাড়া নকল বিড়ি উৎপাদন ও বিক্রি বন্ধের দাবিও জোরালোভাবে তুলে ধরেন শ্রমিকরা। তাদের মতে, নকল বিড়ির কারণে সরকার বিপুল রাজস্ব হারাচ্ছে এবং প্রকৃত উৎপাদকরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। দেশের অর্থনীতি সমৃদ্ধ করতে হলে এ বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন ফেডারেশনের সহ-সভাপতি মো. আনোয়ার হোসেন ও মো. লুতফর রহমান, যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল গফুর, সহকারী সম্পাদক আবুল হাসনাত লাবলু এবং সাংগঠনিক সম্পাদক শামীম ইসলামসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।