― Advertisement ―

spot_img
প্রচ্ছদশিক্ষা ও শিক্ষাঙ্গনক্যাম্পাসহলের সেশন ফি ৬ হাজার টাকায় নামানোর দাবি তিতুমীর কলেজ শিক্ষার্থীদের

হলের সেশন ফি ৬ হাজার টাকায় নামানোর দাবি তিতুমীর কলেজ শিক্ষার্থীদের

ইকরাম হাছান, তিতুমীর কলেজ প্রতিনিধিঃ রাজধানীর ঐতিহ্যবাহী সরকারি সাত কলেজের সমন্বয়ে নবগঠিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির তিতুমীর কলেজ ক্যাম্পাসের শহীদ মামুন ছাত্রাবাসের বার্ষিক সেশন ফি ৮ হাজার টাকা থেকে কমিয়ে ৬ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবি জানিয়েছেন আবাসিক শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষার্থীদের সূত্রে জানা যায়, গত বছরের জুলাই মাসে একটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ছাত্রাবাসটির কার্যক্রম শুরু হয়। সে সময় শিক্ষার্থীরা ৮ হাজার টাকা বার্ষিক সেশন ফি পরিশোধ করে হলে ওঠেন। তবে গত ৫ জুলাই কলেজ প্রশাসন নতুন একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে, যেখানে দ্বিতীয়বারের মতো সেশন ফি ৮ হাজার টাকা বহাল রাখা হয়।

নতুন এ সিদ্ধান্তের পর আবাসিক শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে। তাদের দাবি, বর্তমান সুযোগ-সুবিধা ও সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সেশন ফি কমিয়ে ৬ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হোক।

এ বিষয়ে আবাসিক শিক্ষার্থী ও হল ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মিজান আহমেদ বলেন, “শহীদ মামুন হল ছাত্রদল শিক্ষার্থীদের ন্যায্য দাবির সঙ্গে একমত। নতুন সার্কুলারে নির্ধারিত অতিরিক্ত সেশন ফি কমিয়ে ৬ হাজার টাকা করার দাবি জানাচ্ছি। হল চালুর এক বছর পেরিয়ে গেলেও প্রশাসনের সঠিক ব্যবস্থাপনা এখনো গড়ে ওঠেনি। গ্যাস, পানি ও বিদ্যুতের সমস্যা দ্রুত সমাধান করা প্রয়োজন।”

আরও পড়ুনঃ জবি শিক্ষার্থীকে মারধরের জেরে সংঘর্ষ, পুলিশের লাঠিচার্জে আহত শিক্ষার্থী ও সাংবাদিক

তিনি আরও বলেন, “কমনরুমকে গণরুম হিসেবে ব্যবহার বন্ধ করে দ্রুত আক্কাসুর রহমান আঁখি হল চালু করে শিক্ষার্থীদের সেখানে স্থানান্তর করা উচিত। এছাড়া হল প্রভোস্টের কক্ষ দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীরা নিজেদের সমস্যার কথা জানানোর সুযোগ পাচ্ছেন না। সপ্তাহে অন্তত তিন দিন প্রভোস্টের কক্ষ খোলা রাখার দাবি জানাই।”

এ বিষয়ে শহীদ মামুন ছাত্রাবাসের সহকারী তত্ত্বাবধায়ক কাজী মোহাম্মদ আল নূর বলেন, “শিক্ষার্থীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা করার পরিবর্তে নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় কলেজ প্রশাসনের কাছে লিখিতভাবে বিষয়টি উপস্থাপন করলে তা যৌক্তিকভাবে বিবেচনা করা হবে।”

তিনি বলেন, “অন্যান্য কলেজের তুলনায় এখানে সেশন ফি কিছুটা বেশি হওয়ার কারণ হলো, আমাদের ছাত্রাবাসটি ১০ তলা ভবন এবং মহাখালী-বনানীর মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় অবস্থিত। পাশাপাশি অন্যান্য কলেজের আবাসিক হলের তুলনায় এখানে তুলনামূলক বেশি সুযোগ-সুবিধা রয়েছে। তারপরও শিক্ষার্থীরা আনুষ্ঠানিকভাবে দাবি জানালে প্রশাসন বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করবে এবং শিক্ষার্থীদের স্বার্থকে গুরুত্ব দিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার চেষ্টা করবে।”