
আলি উল আজিম নিলয়, জবি প্রতিনিধিঃ ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন ছুটিতে শিক্ষার্থীদের বাড়ি ফেরা সহজ ও নির্বিঘ্ন করতে বিভাগীয় শহরগুলোতে বিশেষ বাস সার্ভিস চালুর ঘোষণা দিয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) প্রশাসন। আগামী শুক্রবার সকাল ৮টায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে সাতটি বিভাগীয় শহরের উদ্দেশে পরিবহন পুলের নিজস্ব বাস ছেড়ে যাবে।
বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন প্রশাসক তারিক বিন আতিক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, শিক্ষার্থীদের বাড়ি পৌঁছে দিতে খুলনা, বরিশাল, রাজশাহী, সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগে একটি করে এবং রংপুর ও চট্টগ্রাম বিভাগে দুটি করে মোট সাত বিভাগে নয়টি বাস পরিচালনা করা হবে।
খুলনা বিভাগের ‘পদ্মা’ বাসটি ক্যাম্পাস থেকে পদ্মা সেতু হয়ে ফরিদপুর, মাগুরা ও যশোর অতিক্রম করে খুলনায় পৌঁছাবে। বরিশাল বিভাগের ‘তুরাগ’ বাসটি ভাঙ্গা, কাশিয়ানী, গোপালগঞ্জ ও পিরোজপুর হয়ে বরিশাল যাবে।
রংপুর বিভাগের জন্য রাখা দুটি বাসের মধ্যে ‘অনির্বাণ-২’ বাসটি গাজীপুর ও গাইবান্ধা হয়ে রংপুরে যাবে। অন্যদিকে ‘ধূমকেতু’ বাসটি বগুড়া, গোবিন্দগঞ্জ, ঘোড়াঘাট, বিরামপুর, ফুলবাড়ী, দিনাজপুর ও সৈয়দপুর হয়ে রংপুরে পৌঁছাবে।
রাজশাহী বিভাগের ‘স্বপ্নচূড়া’ বাসটি ঢাকা, সিরাজগঞ্জ ও নাটোর হয়ে রাজশাহীতে যাবে। চট্টগ্রাম বিভাগের জন্য ‘গোমতি’ বাসটি কুমিল্লা, হাজীগঞ্জ, রামগঞ্জ ও নোয়াখালী রুটে চলাচল করবে। এছাড়া ‘উল্কা-৪’ বাসটি কুমিল্লা ও ফেনী হয়ে চট্টগ্রামে যাবে।
আরও পড়ুনঃ পর্দা নামল জবি ম্যানেজমেন্ট ক্লাবের ‘ক্যারিয়ার অ্যাফিক্স সিজন ৩.০’
সিলেট বিভাগের ‘আড়িয়াল’ বাসটি নরসিংদী, ভৈরব, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার হয়ে সিলেটে পৌঁছাবে। অন্যদিকে ময়মনসিংহ বিভাগের ‘প্রজন্ম’ বাসটি গাজীপুর, ভালুকা, ত্রিশাল ও নান্দাইল হয়ে ময়মনসিংহে পৌঁছাবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বাসে ওঠার সময় প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে অবশ্যই বিশ্ববিদ্যালয়ের আইডি কার্ড প্রদর্শন করতে হবে। পাশাপাশি ড্রাইভার ও হেলপারদের নির্দেশনা মেনে শৃঙ্খলা বজায় রেখে যাতায়াতের জন্য শিক্ষার্থীদের অনুরোধ জানানো হয়েছে।
এ বিষয়ে পরিবহন প্রশাসক তারিক বিন আতিক বলেন, “শিক্ষার্থীরা যেন নিরাপদে বাড়ি পৌঁছাতে পারেন, সে লক্ষ্যেই প্রতি বছরের মতো এবারও তাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বাস সার্ভিস চালু করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে নিজ এলাকায় পৌঁছাতে পারলে শিক্ষার্থীদের ঈদের আনন্দ আরও বাড়ে।”



