― Advertisement ―

spot_img

আইটিইটি নির্বাচনে পৃথক পদে লড়ছেন বুটেক্সের দুই শিক্ষক

বুটেক্স প্রতিনিধিঃ বাংলাদেশের টেক্সটাইল প্রকৌশলীদের সংগঠন দ্য ইনস্টিটিউট অব টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যান্ড টেকনোলজিস্টস (আইটিইটি)-এর আসন্ন ১৫তম কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন বাংলাদেশ টেক্সটাইল...
প্রচ্ছদশিক্ষা ও শিক্ষাঙ্গনক্যাম্পাসআইটিইটি নির্বাচনে পৃথক পদে লড়ছেন বুটেক্সের দুই শিক্ষক

আইটিইটি নির্বাচনে পৃথক পদে লড়ছেন বুটেক্সের দুই শিক্ষক

বুটেক্স প্রতিনিধিঃ বাংলাদেশের টেক্সটাইল প্রকৌশলীদের সংগঠন দ্য ইনস্টিটিউট অব টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যান্ড টেকনোলজিস্টস (আইটিইটি)-এর আসন্ন ১৫তম কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুটেক্স) দুই শিক্ষক। তাঁরা পৃথক দুই প্যানেল থেকে ভিন্ন পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

নির্বাচনে অংশ নেওয়া বুটেক্সের দুই শিক্ষক হলেন ফেব্রিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদ সরকার এবং টেক্সটাইল মেশিনারি ডিজাইন অ্যান্ড মেইনটেন্যান্স বিভাগের প্রভাষক পৃথ্বিলা কামাল। ঐক্যবদ্ধ টেক্সটাইল প্রকৌশলী পরিষদ থেকে কোষাধ্যক্ষ পদে অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদ সরকার এবং এনায়েত-সুমায়েল-নিক্সন পরিষদ থেকে মহিলা বিষয়ক সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন পৃথ্বিলা কামাল।

আগামী ২৬ জুন (শুক্রবার) বুটেক্স ক্যাম্পাসে আইটিইটির ১৫তম কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনকে ঘিরে টেক্সটাইল প্রকৌশলীদের মধ্যে চলছে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা। এবারের নির্বাচনে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার্স ফোরাম সমর্থিত এনায়েত-সুমায়েল-নিক্সন পরিষদ এবং ঐক্যবদ্ধ টেক্সটাইল প্রকৌশলী পরিষদ নামে দুটি প্যানেল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। গত ২৩ মে নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হয়।

নির্বাচনে অংশগ্রহণের কারণ জানতে চাইলে অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদ সরকার বলেন, “আইটিইটি দীর্ঘদিন ধরে একটি অ্যাসোসিয়েশনের মতো পরিচালিত হয়ে আসছে। তবে বর্তমান সময়ের চাহিদা এবং টেক্সটাইল প্রকৌশলীদের পেশাগত উন্নয়নের স্বার্থে এটিকে একটি কার্যকর ও গতিশীল প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করা জরুরি।”

তিনি বলেন, “আইটিইটিকে কৃষিবিদদের সংগঠনের মতো একটি শক্তিশালী, মর্যাদাপূর্ণ ও পেশাদার প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করতে চাই। সদস্যদের অসুস্থতা, দুর্ঘটনা কিংবা পারিবারিক সংকটে সহায়তার জন্য একটি টেকসই কল্যাণ তহবিল গঠন করা হবে। পাশাপাশি স্বাস্থ্যবীমা ও বিশেষায়িত চিকিৎসাসহ বিভিন্ন কল্যাণমূলক সুবিধা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে।”

তিনি আরও বলেন, “চাকরির বাজারে টেক্সটাইল প্রকৌশলীদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে আইটিইটির সক্রিয় ভূমিকা প্রয়োজন। নতুন প্রযুক্তি ও শিল্পের পরিবর্তিত চাহিদার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে প্রকৌশলীদের জন্য নিয়মিত প্রশিক্ষণ, সেমিনার, কর্মশালা এবং স্বল্পমেয়াদি পেশাগত কোর্সের আয়োজন করা প্রয়োজন। সদস্যদের জন্য বাস্তব ও দৃশ্যমান সুযোগ-সুবিধা সৃষ্টি করা গেলে আইটিইটির প্রতি আগ্রহ ও সম্পৃক্ততা আরও বৃদ্ধি পাবে।”

জয়ের বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে অধ্যাপক ইমদাদ সরকার বলেন, “দীর্ঘ ১৫ বছরের শিক্ষকতা জীবনে দেশের বিভিন্ন পর্যায়ের অসংখ্য টেক্সটাইল প্রকৌশলীর সঙ্গে আমার পেশাগত সম্পর্ক তৈরি হয়েছে। সেই আস্থা ও বিশ্বাসের প্রতিফলন ভোটের মাধ্যমে পাওয়া যাবে বলে আশা করছি।”

আরও পড়ুনঃ শহীদ জিয়ার শাহাদাৎ বার্ষিকীতে জবিতে দুস্থদের মাঝে খাবার ও বিশুদ্ধ পানি বিতরণ

মহিলা বিষয়ক সম্পাদক পদপ্রার্থী পৃথ্বিলা কামাল বলেন, “আইটিইটির কার্যক্রমে নারী প্রকৌশলী এবং তরুণ সদস্যদের আরও সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা সময়ের দাবি। শিক্ষকতা, শিল্পখাতে সম্পৃক্ততা এবং সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা থেকে উপলব্ধি করেছি যে, সংগঠনকে আরও কার্যকর, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও ভবিষ্যতমুখী করতে নতুন প্রজন্মের অংশগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ।”

তিনি বলেন, “আমার মূল লক্ষ্য হবে নারী প্রকৌশলীদের অংশগ্রহণ ও নেতৃত্ব বিকাশে কার্যকর ভূমিকা রাখা। এছাড়া ক্যারিয়ার গাইডলাইন, মেন্টরশিপ ও নেটওয়ার্কিং প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলার পাশাপাশি গবেষণা, উদ্ভাবন ও প্রযুক্তিগত জ্ঞান বিনিময়ে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ, কর্মশালা ও সেমিনারের আয়োজনের উদ্যোগ গ্রহণ করবো।”

এনায়েত-সুমায়েল-নিক্সন পরিষদ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমাদের প্যানেলে শিল্পখাত, একাডেমিয়া ও বিভিন্ন পেশাগত প্রতিষ্ঠানে কাজ করা অভিজ্ঞ ও গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিদের সমন্বয় রয়েছে। দলগত কাজ, সদস্যদের প্রতি জবাবদিহিতা এবং আইটিইটিকে আরও গতিশীল, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সদস্যবান্ধব সংগঠন হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয়ই আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি।”