― Advertisement ―

spot_img

লোকসানে বন্ধ থাকছে ম্যাঙ্গো স্পেশাল ও ক্যাটল স্পেশাল ট্রেন

আম ও কোরবানির পশু পরিবহনে এবার চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে ঢাকাগামী ম্যাঙ্গো স্পেশাল ট্রেন ও ক্যাটল স্পেশাল ট্রেন চলবে না। ধারাবাহিক লোকসান এবং প্রত্যাশিত পরিমাণ মালামাল...
প্রচ্ছদজাতীয়লোকসানে বন্ধ থাকছে ম্যাঙ্গো স্পেশাল ও ক্যাটল স্পেশাল ট্রেন

লোকসানে বন্ধ থাকছে ম্যাঙ্গো স্পেশাল ও ক্যাটল স্পেশাল ট্রেন

আম ও কোরবানির পশু পরিবহনে এবার চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে ঢাকাগামী ম্যাঙ্গো স্পেশাল ট্রেন ও ক্যাটল স্পেশাল ট্রেন চলবে না। ধারাবাহিক লোকসান এবং প্রত্যাশিত পরিমাণ মালামাল পরিবহন না হওয়ায় এ দুই বিশেষ ট্রেন সেবা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ।

এর আগে কয়েক বছর ধরে আম পরিবহনের জন্য চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে বিশেষ ট্রেন চালু করা হয়েছিল। একইভাবে ঈদুল আজহার সময় গবাদিপশু তুলনামূলক কম খরচে রাজধানীতে পৌঁছে দিতে ক্যাটল স্পেশাল ট্রেনও চালু করা হয়। চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে যাত্রা শুরু করে ট্রেনগুলো রাজশাহী, সরদহ, আড়ানী, আব্দুলপুর ও ঈশ্বরদী হয়ে ঢাকায় পৌঁছাত।

রেলওয়ের পরিকল্পনা ছিল প্রান্তিক আমচাষি, বাগানমালিক এবং খামারিদের জন্য সাশ্রয়ী পরিবহন ব্যবস্থা নিশ্চিত করা। তবে বাস্তবে সেই লক্ষ্য পূরণ হয়নি। পর্যাপ্ত পণ্য না পাওয়ায় ট্রেনগুলোকে অনেক সময় প্রায় ফাঁকা অবস্থায় চলাচল করতে হয়েছে। ফলে আয়-ব্যয়ের বড় ধরনের ঘাটতি তৈরি হয়।

চাষি ও খামারিদের একটি অংশের মতে, ট্রেনের ভাড়া তুলনামূলক কম হলেও পুরো পরিবহন ব্যবস্থায় অতিরিক্ত খরচ ও ভোগান্তি ছিল। বাগান থেকে আম কিংবা খামার থেকে পশু স্টেশনে পৌঁছানো এবং ঢাকায় নির্দিষ্ট গন্তব্যে নেওয়ার জন্য আলাদা পরিবহন ব্যয় বহন করতে হতো। এ কারণে অনেকেই সড়কপথকে তুলনামূলক বেশি সুবিধাজনক মনে করেছেন।

আরও পড়ুনঃ ঈদে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে বাড়ি ফিরেছেন বুটেক্সের শিক্ষার্থীরা

এ উদ্যোগ নিয়ে ব্যবসায়ী মহলেও সমালোচনা রয়েছে। তাদের মতে, পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের মধ্যে সমন্বয়ের ঘাটতি ছিল। ব্যবসায়ীদের সঙ্গে যথাযথ আলোচনা ছাড়া এই উদ্যোগ চালু করায় কাঙ্ক্ষিত সাড়া পাওয়া যায়নি।

পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের মহাব্যবস্থাপক ফরিদ আহমেদ বলেন, “চাষি, বাগানমালিক ও খামারিদের পর্যাপ্ত আগ্রহ না থাকায় ট্রেনগুলো অর্থনৈতিকভাবে টেকসই হয়নি। সে কারণে আপাতত ম্যাঙ্গো স্পেশাল ও ক্যাটল স্পেশাল ট্রেন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।”