― Advertisement ―

spot_img

ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের আইনের আওতায় আনা হবে: মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রী

মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে সরকারি সুযোগ-সুবিধা গ্রহণকারী অমুক্তিযোদ্ধাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান।বৃহস্পতিবার রাজধানীর ইস্কাটনে...
প্রচ্ছদসারা বাংলাচা পাতার ন্যায্য মূল্যের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসুচী

চা পাতার ন্যায্য মূল্যের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসুচী

খাদেমুল ইসলাম, পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধিঃ পঞ্চগড়ে চা পাতার ন্যায্য মূল্য দাম  না পাওয়া এবং কাঁচা চা পাতা কর্তনের অভিযোগ তুলে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে সমতলের চা চাষিরা।  

রোববার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পঞ্চগড়ের ক্ষুদ্র চা চাষিদের ব্যানারে উপজেলার বিজয় চত্বর এলাকায় ডোমার-পঞ্চগড় সড়কের একপাশে দাঁড়িয়ে ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন তারা।

এসময় দেবীগঞ্জ ডোমার সড়কে কাঁচা চা পাতা ফেলে প্রতিবাদ জানান চাষিরা।এতে দেবীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকার শতাধিক চা চাষি অংশগ্রহণ করেন।

এ সময় মানববন্ধনে ও  বিক্ষোভ কর্মসুচীতে বক্তারা বলেন, ইংরেজরা যেমন নীল চাষে এদেশের চাষিদের রক্ত চুষেছিল। তেমনি পঞ্চগড়ের চা-কারখানা মালিকসহ সিন্ডিকেট চক্রটি চা চাষিদের রক্ত চুষে খাচ্ছে। চাষিদের ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। চা পাতার দাম কর্তন করে চাষিদের হয়রানি করা হচ্ছে। তৈরি চায়ের দাম বাজারে থাকলেও কাঁচা চা পাতা বিক্রির সময় চাষিরা ন্যায্য দাম পান না।

আরও বলনে, অনলাইন নিলাম কেন্দ্র হয়েও চাষিরা কোনো ভাবে উপকৃত হচ্ছেন না। অনেক চাষি আজ ঋণগ্রস্ত। ঋণের টাকায় চা বাগানের পরিচর্যা করছেন। কিন্তু কীটনাশকসহ শ্রমিক খরচও তারা তুলতে পারছেন না। অনেকে কারখানার মালিকদের নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়ে চাষিরা দাম না পেয়ে গাছ তুলে ফেলতে বাধ্য হচ্ছেন।

আরও পড়ুনঃ গলাচিপায় সাইক্লোন বিষয়ক মাঠ মহড়া অনুষ্ঠিত

এসময় চা চাষিদের ভর্তুকির মাধ্যমে মেশিনসহ আধুনিক যন্ত্রপাতি দেওয়া, চায়ের দাম প্রতি কেজি ৪০ টাকা নির্ধারণ, সুদ মুক্ত সহজ শর্তে ঋণ দেওয়া, চায়ের আইন পরিবর্তন করাসহ ৮ দফা দাবি আগামী ১৫ দিনের মধ্যে মানা না হলে কঠোর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবেন বলে হুঁশিয়ারি দেন তারা।

পরে মানববন্ধন শেষে চা চাষিরা একটি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে দেবীগঞ্জ উপজেলা পরিষদে গিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর তারা স্মারকলিপি দেন। এ ছাড়া স্থানীয় সেনা ক্যাম্পেও স্মারকলিপি দেন তারা