― Advertisement ―

spot_img

ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের আইনের আওতায় আনা হবে: মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রী

মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে সরকারি সুযোগ-সুবিধা গ্রহণকারী অমুক্তিযোদ্ধাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান।বৃহস্পতিবার রাজধানীর ইস্কাটনে...
প্রচ্ছদসারা বাংলাশ্রীপুরে সন্ত্রাসী হামলায় পরিবারের তিন সদস্য আহত, নগদ টাকা লুটের অভিযোগ

শ্রীপুরে সন্ত্রাসী হামলায় পরিবারের তিন সদস্য আহত, নগদ টাকা লুটের অভিযোগ

শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধিঃ গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার টেপিরবাড়ি এলাকায় এক পরিবারের ওপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। দুর্বৃত্তরা ধারালো অস্ত্র, লোহার রড ও লাঠিসোঁটা নিয়ে বাড়িতে হামলা চালিয়ে পরিবারের সদস্যদের মারধর, বাড়িঘর ভাঙচুর এবং নগদ টাকা লুট করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয় ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (১২ মার্চ) দুপুর আনুমানিক ২টা ৩০ মিনিটের দিকে পূর্ব বিরোধের জের ধরে সংঘবদ্ধ একদল দুর্বৃত্ত আলমগীরের বাড়িতে হামলা চালায়। অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন মোঃ আশিক (২৪), মোস্তফা কামাল উজ্জল (২৫), মোস্তফা ওরফে সাদামন (৪৫), জিয়ার উদ্দিন (৪০), বিল্লাল হোসেন (২৭) ও মোকসেদুল (২০) সহ আরও ৪-৫ জন।

হামলাকারীরা ঘরে ঢুকেই গালিগালাজ শুরু করে এবং আলমগীরের পিতা, স্ত্রী নাছিমা ও ছোট ভাই রাকিবকে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি ও লোহার রড দিয়ে মারধর করে। একপর্যায়ে আশিক হাতে থাকা ধারালো দা দিয়ে আলমগীরের পিতার মাথায় কুপিয়ে গুরুতর জখম করে।

এ সময় মোস্তফা কামাল উজ্জল ঘরে ঢুকে বিছানার নিচে রাখা জমি বিক্রির নগদ ১ লাখ ৭৫ হাজার টাকা নিয়ে যায়। অন্য হামলাকারীরা বাড়িঘর ভাঙচুর চালিয়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করে।

আরও পড়ুনঃ ববি প্রেস ক্লাবের ইফতার মাহফিল ও দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

পরিবারের সদস্যদের চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা খুনের হুমকি দিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। পরে আহতদের উদ্ধার করে শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকরা আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিলেও আলমগীরের পিতার অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগীরা শ্রীপুর মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন, তবে এখন পর্যন্ত পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয়রা।