― Advertisement ―

spot_img

৪৭তম বিসিএসে বুটেক্সের ১৮ শিক্ষার্থীর সাফল্য

বুটেক্স প্রতিনিধিঃ ৪৭তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফলাফলে বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুটেক্স) ১৮ জন শিক্ষার্থী বিভিন্ন ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। রবিবার (২৮ জুন) সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)...
প্রচ্ছদজাতীয়দুর্নীতিসওজ এর প্রায় ৫১হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি: টিআইবি

সওজ এর প্রায় ৫১হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি: টিআইবি

নিজস্ব প্রতিবেদক: দুর্নীতিবিরোধী সংস্থা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) জানিয়েছে, ২০০৯-১০ থেকে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের মধ্যে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের অধীনে বাস্তবায়িত উন্নয়ন প্রকল্পে প্রাক্কলিত দুর্নীতির পরিমাণ ২৯ হাজার ২৩০ কোটি থেকে ৫০ হাজার ৮৩৫ কোটি টাকা।

বুধবার সকালে ধানমন্ডির টিআইবির নিজস্ব কার্যালয়ে ‘সড়ক ও মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে সুশাসনের চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক এক গবেষণার ফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানানো হয়।

গবেষণার ফলাফল অনুযায়ী, গত ১৪ বছরে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের অধীনে উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর নির্মাণ কাজে দুর্নীতির হার ২৩-৪০ শতাংশ। এর মধ্যে ঘুষ এবং অন্য দুর্নীতির হার কার্যাদেশ প্রাপ্তি ও ঠিকাদারের বিল পরিশোধে ১১-১৪ শতাংশ এবং রাজনীতিবিদ, ঠিকাদার ও কর্মকর্তাদের ত্রিপক্ষীয় আঁতাতে ১০-২০ শতাংশ। এছাড়াও, দরপত্র লাইসেন্স ভাড়া, কার্যাদেশ বিক্রয় ও স্থানীয় পর্যায়ের রাজনৈতিক চাঁদাবাজির ক্ষেত্রে দুর্নীতির হার ২-৬ শতাংশ।

টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, “অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পে উচ্চ ব্যয় হলেও মানহীন ও টেকসইহীন সড়ক নির্মিত হচ্ছে, যা প্রকল্পের উদ্দেশ্য ব্যাহত করছে। এতে জাতীয় সম্পদের অপচয় হচ্ছে।”

আরও পড়ুনঃ বিএনপির নেতা ডা.শাহাদাতকে চসিক মেয়র ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি 

তিনি আরও উল্লেখ করেন, “সড়ক ও মহাসড়ক খাতে রাজনীতিবিদ, আমলা এবং ঠিকাদারের ত্রিপক্ষীয় যোগসাজশের মাধ্যমে প্রকল্প বাস্তবায়নে দুর্নীতির প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ ঘটেছে। এই খাতে সুশাসনের সব সূচকে ঘাটতি পরিলক্ষিত হয়েছে।”

গবেষণায় আরও বলা হয়, প্রকল্প প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের সময় সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের কিছু কর্মকর্তা পরিকল্পনা কমিশনের কর্মচারীদের ঘুষ দিয়ে প্রকল্প অনুমোদন করান এবং প্রাক্কলিত বাজেটের ২৫-৩০ শতাংশ অতিরিক্ত ব্যয় দেখিয়ে দুর্নীতির সুযোগ সৃষ্টি করেন।