― Advertisement ―

spot_img

বুটেক্সে চতুর্থবারের মতো আন্তর্জাতিক টেক্সটাইল সম্মেলন অনুষ্ঠিত

বুটেক্স প্রতিনিধিঃ বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুটেক্স) চতুর্থবারের মতো অনুষ্ঠিত হয়েছে আন্তর্জাতিক সম্মেলন। টেক্সটাইল ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের আয়োজনে অনুষ্ঠিত দিনব্যাপী এই সম্মেলনে টেক্সটাইল...
প্রচ্ছদসারা বাংলারাস পূজা ও মেলা উৎসব: ১৫ নভেম্বর শুরু, শ্রী কৃষ্ণের রাসলীলা পূজা

রাস পূজা ও মেলা উৎসব: ১৫ নভেম্বর শুরু, শ্রী কৃষ্ণের রাসলীলা পূজা

মোঃ তরিকুল মোল্লা, পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি: বরিশালের পটুয়াখালী জেলার কুয়াকাটায় আগামী ১৫ নভেম্বর থেকে শুরু হবে ঐতিহ্যবাহী রাসলীলা পূজা ও মেলা উৎসব ২০২৪। প্রতি বছরের মতো এবারও রাস পূজাকে ঘিরে স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়সহ পর্যটকরা ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার সঙ্গে এই উৎসবে যোগ দেবে। তিন দিনব্যাপী এ উৎসবের মূল আয়োজনগুলোতে রাস পূজা, গঙ্গা স্নান, এবং মেলা অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

রাস পূজা ও মেলার সময়সূচি: ১৫ নভেম্বর: রাস পূজার সূচনা। এই দিনে দেবতার পূজা ও আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হবে। প্রাচীন এ পূজা কুয়াকাটায় হিন্দু সম্প্রদায়ের একটি বৃহৎ ধর্মীয় অনুষ্ঠান হিসেবে পালন করা হয়।

১৬ নভেম্বর ভোর: গঙ্গা স্নান। প্রভাতের শুরুতেই পুণ্যার্থী এবং পর্যটকরা কুয়াকাটার সমুদ্র সৈকতে গঙ্গা স্নানে অংশ নেবে। বিশ্বাস অনুযায়ী, এই স্নানে অংশগ্রহণ করলে সকল পাপ থেকে মুক্তি লাভ সম্ভব বলে মনে করা হয়।

১৭ নভেম্বর: মেলার আয়োজন। রাস পূজার সমাপনী দিনে মেলার আয়োজন করা হয়, যা স্থানীয় পণ্য প্রদর্শন, লোকজ সংগীত, এবং বিভিন্ন বিনোদনমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে উদযাপিত হবে।

এই শ্রী কৃষ্ণের রাসলীলা পূজা, স্থানীয় পণ্য প্রদর্শন, লোকজ সংগীত, এবং বিভিন্ন বিনোদনমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে উদযাপিত হবে।

বিনোদনমূলক আয়োজন: মেলায় দর্শনার্থীদের জন্য বিভিন্ন ধরনের বিনোদনের আয়োজন থাকবে। লোকজ সংগীত, নাটক, পুতুল নাচ, এবং সার্কাস প্রদর্শনী মেলার অন্যতম আকর্ষণ। এছাড়াও স্থানীয় শিল্পীদের পরিবেশিত গান, নাচ এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে পর্যটকরা আনন্দে মেতে উঠবেন। মেলায় বিভিন্ন ধরনের খাবারের দোকান, হস্তশিল্পের স্টল, এবং শিশুদের জন্য বিভিন্ন রাইডও রাখা হবে। এসব বিনোদনমূলক আয়োজন মেলাকে আরও প্রাণবন্ত এবং উপভোগ্য করে তুলবে।

আরও পড়ুনঃ রাজশাহী টিটিসি অধ্যক্ষের অনিয়ম-দুর্নীতির প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের সংবাদ সম্মেলন 

উৎসব উপলক্ষে প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা: কুয়াকাটা পর্যটন এলাকা এই উৎসব উপলক্ষে আরও জমজমাট হয়ে উঠবে। প্রচুর পর্যটক আসার প্রত্যাশায় কুয়াকাটা হোটেল-মোটেলগুলোতে বুকিং পরিপূর্ণ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ উপলক্ষে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করবে, যাতে সকল অতিথি নির্বিঘ্নে উৎসব উপভোগ করতে পারে।

শ্রী কৃষ্ণের রাস লীলা নিয়ে আশাবাদী স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়: স্থানীয় নয়নদা বলেন, “শ্রী কৃষ্ণের রাস লীলা একটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় অনুষ্ঠান। আমি মনে করি, এ বছর যদি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার অনুমতি দেয়, তাহলে এই অনুষ্ঠানটি সুন্দরভাবে পালিত হবে।” ভক্তরা রাস লীলা পালনের জন্য অপেক্ষায় রয়েছেন এবং সরকারের অনুমতির ব্যাপারে আশাবাদী।

এবারের রাস পূজা ও মেলা কেবল হিন্দু ধর্মীয় অনুষ্ঠানই নয়, এটি কুয়াকাটায় স্থানীয় ঐতিহ্য এবং সম্প্রদায়ের মিলনমেলার একটি উদাহরণ হিসেবে রয়ে যাবে।