― Advertisement ―

spot_img

ইবিতে জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদতবার্ষিকী পালিত

তাওহিদ ইসলাম, ইবি প্রতিনিধিঃ যথাযোগ্য মর্যাদায় জিয়াউর রহমান-এর ৪৫তম শাহাদতবার্ষিকী পালন করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এ উপলক্ষে কালো ব্যাজ ধারণ, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তরে পুষ্পস্তবক অর্পণ,...
প্রচ্ছদশিক্ষা ও শিক্ষাঙ্গনক্যাম্পাসইবি প্রশাসনের বৈষম্যমূলক ইফতার আয়োজন, ছাত্রনেতাদের প্রতিবাদ 

ইবি প্রশাসনের বৈষম্যমূলক ইফতার আয়োজন, ছাত্রনেতাদের প্রতিবাদ 

তাওহিদ ইসলাম, ইবি প্রতিনিধিঃ শুধু আবাসিক শিক্ষার্থীদের নিয়ে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ইফতার আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে হল প্রশাসন। প্রভোস্ট কাউন্সিলের এ সিদ্ধান্তকে বৈষম্যমূলক ও অযৌক্তিক আখ্যা দিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের নেতারা।

সোমবার (৩ মার্চ) দুপুরে প্রভোস্ট কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী হল প্রশাসন বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, পবিত্র রমজান উপলক্ষে আগামী ৮ মার্চ বিশ্ববিদ্যালয়ের সব আবাসিক হলে ইফতারের আয়োজন করা হবে। ইফতার সংগ্রহের জন্য ০৩ ও ০৪ মার্চ অফিস সময়ে হল আইডি কার্ড দেখিয়ে টোকেন নিতে বলা হয়েছে।

এ বিষয়ে এক ফেসবুক পোস্টে ছাত্রদল আহ্বায়ক সাহেদ আহম্মেদ বলেন, পবিত্র রমজানে ইফতার করানো যেখানে সওয়াব ও মহৎ কাজ হিসেবে বিবেচিত, সেখানে অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের বাদ দিয়ে আয়োজন করা স্পষ্ট বৈষম্য ও অযৌক্তিক সিদ্ধান্তের পরিচায়ক। নিয়মিত হল ফি প্রদান করেও তারা ন্যায্য অধিকার ও সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

তিনি আরও বলেন, আমরা এ ধরনের অন্যায্য ও বৈষম্যমূলক সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। অবিলম্বে অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের অন্তর্ভুক্ত করে সমতা, ন্যায় ও সহমর্মিতাভিত্তিক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছি।

ছাত্রশিবির সেক্রেটারি রাশেদুল ইসলাম রাফি বলেন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের হল প্রশাসন কর্তৃক শিক্ষার্থীদের জন্য ইফতারের আয়োজন নিঃসন্দেহে একটি প্রশংসনীয় ও মানবিক উদ্যোগ। তবে লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, এই আয়োজনটি শুধুমাত্র আবাসিক শিক্ষার্থীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে, অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের জন্য কোনো ব্যবস্থা রাখা হয়নি। বিষয়টি বৈষম্যমূলক বলে প্রতীয়মান হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, আমরা আশা করি, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বিষয়টি আন্তরিকভাবে পর্যালোচনা করে অতি দ্রুত সকল শিক্ষার্থীর জন্য ইফতারের ব্যবস্থা গ্রহণে কার্যকর পদক্ষেপ নেবেন।

আরও পড়ুনঃ কুবিতে সাংবাদিকতা বিভাগের ইফতার ও দোয়া মাহফিল

ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি নুর আলম তার ফেসবুক পোস্টে লেখেন, আপনাদের বৈষম্যমূলক সিদ্ধান্ত ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করছি। শতভাগ আবাসিকতা নিশ্চিত করতে না পারা প্রশাসনের ব্যর্থতা। তাই বলে অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত করা যায় না।

ইবি খেলাফত ছাত্র মজলিসের সভাপতি জুনায়েদ খান বলেন, বৈষম্যমূলক সিদ্ধান্তে দ্বিমত পোষণ করছি। হলের সিট ব্যতীত ভার্সিটির সকল সুযোগ-সুবিধা সবার জন্য উন্মুক্ত রাখার জোর দাবি জানাচ্ছি। রাবিসহ অন্য ভার্সিটিগুলো উন্মুক্ত ইফতারের আয়োজন করতে পেরেছে, আপনারা কেন পারেন না?