― Advertisement ―

spot_img

আলীকদমে আদালত চালু করতে আইনমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চাইলেন প্রতিমন্ত্রী হেলাল

আলি উল আজিম নিলয়, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ বান্দরবানের দুর্গম উপজেলা আলীকদমে দীর্ঘদিন ধরে অকার্যকর হয়ে থাকা ‘সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত’ (আলীকদম চৌকি) পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও নিয়মিত...
প্রচ্ছদজাতীয়যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি: রাষ্ট্রপতিকে না জানানোর অভিযোগ

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি: রাষ্ট্রপতিকে না জানানোর অভিযোগ

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পাদিত একটি রাষ্ট্রীয় চুক্তি বিষয়ে তাকে অবহিত করা হয়নি—এমন অভিযোগ তুলেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ চুক্তির ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করা সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা হলেও এ ক্ষেত্রে তা মানা হয়নি।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সর্বশেষ চুক্তি প্রসঙ্গে রাষ্ট্রপতি বলেন, “না, কোনো কিছুই আমি জানি না। এ রকম রাষ্ট্রীয় একটি চুক্তি অবশ্যই আমাকে জানানো দরকার ছিল। এটি ছোটখাটো হোক বা বড় কিছু হোক, পূর্ববর্তী সরকারপ্রধানরা রাষ্ট্রপতিকে জানিয়েছেন। এটি সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা। কিন্তু তিনি তা করেননি।”

রাষ্ট্রপতির এমন বক্তব্যের পর দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। সাক্ষাৎকারে তিনি অভিযোগ করেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত থেকে তাকে আড়ালে রাখা হয়েছে এবং প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে প্রয়োজনীয় সমন্বয় হয়নি।

রাষ্ট্রপতি বলেন, “উনি যে প্রধান উপদেষ্টা হলেন, সেই প্রক্রিয়ার উৎসই ছিলাম আমি। কিন্তু পরে তিনি আমার সঙ্গে সেভাবে সমন্বয় করেননি। একবারের জন্যও আমার কাছে আসেননি।”

আরও পড়ুনঃ ইবি শিবিরের উদ্যোগে আল কুরআন অধ্যয়ন প্রতিযোগিতা

এছাড়া রাষ্ট্রপতির দাবি, তার দুইবারের বিদেশ সফর আটকে দেওয়া হয়। শুধু বিদেশ সফরই নয়, দেশের বিভিন্ন অনুষ্ঠানেও তাকে অংশ নিতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি। বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতির উপস্থিতির প্রচলিত রেওয়াজ থাকলেও সেটি বন্ধ রাখা হয়েছে বলে উল্লেখ করেন।

রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, এক রাতের মধ্যে দেশের সব হাইকমিশন থেকে তার ছবি সরিয়ে ফেলা হয়, যা তিনি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর জানতে পারেন। পাশাপাশি রাষ্ট্রপতির প্রেস উইং প্রত্যাহার এবং জাতীয় দিবসের ক্রোড়পত্রে রাষ্ট্রপতির ছবি ও বাণী প্রকাশ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল বলেও তিনি অভিযোগ করেন।