― Advertisement ―

spot_img

“দেশে জঙ্গিবাদের অস্তিত্ব নেই, অতীতে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলে এটি ব্যবহার হতো”

দেশে বর্তমানে জঙ্গিবাদের কোনো অস্তিত্ব নেই বলে দাবি করেছেন সালাহউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, অতীতে ফ্যাসিবাদী আমলে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের জন্য ‘জঙ্গিবাদ’ শব্দটি ব্যবহার করা...
প্রচ্ছদজাতীয়"দেশে জঙ্গিবাদের অস্তিত্ব নেই, অতীতে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলে এটি ব্যবহার হতো"

“দেশে জঙ্গিবাদের অস্তিত্ব নেই, অতীতে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলে এটি ব্যবহার হতো”

দেশে বর্তমানে জঙ্গিবাদের কোনো অস্তিত্ব নেই বলে দাবি করেছেন সালাহউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, অতীতে ফ্যাসিবাদী আমলে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের জন্য ‘জঙ্গিবাদ’ শব্দটি ব্যবহার করা হতো।

মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড-এর ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত পদক প্রদান অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘জঙ্গিবাদ’ শব্দটিকেই এখন আর স্বীকৃতি দেওয়া হয় না এবং দেশে এ ধরনের কোনো তৎপরতা নেই। তিনি উল্লেখ করেন, কিছু এক্সট্রিমিস্ট বা রেডিক্যাল রাজনৈতিক গোষ্ঠী সব দেশেই থাকে, যা স্বাভাবিক বিষয়। তবে বর্তমান বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে জঙ্গিবাদের কোনো অস্তিত্ব নেই বলে তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভ্যন্তরীণ নজরদারি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিশ্বের সব দেশেই প্রতিরক্ষা বাহিনীর নিজস্ব গোয়েন্দা ইউনিট থাকে। কোনো সদস্য দেশবিরোধী বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত কিনা তা যাচাইয়ে এসব ইউনিট কাজ করে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সামরিক আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

সেনাবাহিনীর মাঠে থাকার বিষয়ে তিনি জানান, ধীরে ধীরে তাদের প্রত্যাহার করা হচ্ছে। একযোগে পুরো বাহিনী সরানো সম্ভব নয়, তবে ইতোমধ্যে অনেকাংশে কমানো হয়েছে এবং শিগগিরই আরও সীমিত করা হবে। প্রয়োজনে জেলা প্রশাসন বা সরকারের চাহিদা অনুযায়ী ভবিষ্যতেও তারা দায়িত্ব পালন করবে।

পুলিশ সদরদপ্তরের বিশেষ সতর্কতামূলক চিঠির বিষয়ে তিনি বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে এমন কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। তবে জাতীয় দিবস বা গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাকে কেন্দ্র করে নিয়মিত নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়ে থাকে, যা অতীতেও ছিল এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।

আরও পড়ুনঃ রূপপুরে ইউরেনিয়াম লোডিং শুরু, বিদ্যুৎয়ের যুগে নতুন অধ্যায়

বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের কার্যক্রম প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, নদীমাতৃক দেশের বাস্তবতায় জলপথভিত্তিক কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে। হাওর অঞ্চলেও কোস্ট গার্ডের কার্যক্রম বাড়ানোর চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, বর্তমানে প্রায় ৫ হাজার সদস্যের কোস্ট গার্ডকে ধীরে ধীরে ১০ হাজারে উন্নীত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এ জন্য আধুনিক সরঞ্জাম, প্রশিক্ষণ সুবিধা, হেলিকপ্টার ও আবাসন ব্যবস্থার উন্নয়ন করা হবে।

উপকূলীয় অঞ্চল ও দুর্গম জলপথে জলদস্যুদের তৎপরতা বেড়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কোস্ট গার্ডকে আরও শক্তিশালী করা জরুরি। প্রযুক্তির ব্যবহারে অপরাধীদের সক্ষমতা বাড়ায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকেও আধুনিক ও প্রস্তুত থাকতে হবে।