― Advertisement ―

spot_img

উচ্চশিক্ষার সংকট: দক্ষ গ্র্যাজুয়েট তৈরির পথে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ শিক্ষক প্রশিক্ষণ

সামরিক জগতে একটি বহুল প্রচলিত প্রবাদ রয়েছে—‘কঠিন প্রশিক্ষণ, সহজ যুদ্ধ’। অর্থাৎ প্রশিক্ষণ যত কঠোর ও বাস্তবসম্মত হবে, যুদ্ধক্ষেত্রে সাফল্যের সম্ভাবনা তত বাড়বে। একজন সৈনিকের...
প্রচ্ছদজাতীয়হজ পারমিট ছাড়া হজ পালন না করার আহ্বান ধর্ম মন্ত্রণালয়ের

হজ পারমিট ছাড়া হজ পালন না করার আহ্বান ধর্ম মন্ত্রণালয়ের

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ চলতি হজ মৌসুমে হজ পারমিট ছাড়া কেউ যেন হজ পালন না করেন, সেই অনুরোধ জানিয়েছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়। সুষ্ঠু ও সুশৃঙ্খল হজ ব্যবস্থাপনা এবং সৌদি আরবের সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক অটুট রাখার স্বার্থে দেশে ও সৌদিতে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের প্রতি এ আহ্বান জানানো হয়।

শুক্রবার (২ মে) ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ভিজিট ভিসায় সৌদি আরবে গিয়ে কেউ যেন মক্কা নগরী বা পবিত্র স্থানসমূহে অবস্থান না করেন, সে বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে হজ বিধিমালা লঙ্ঘনকারী কাউকে পৃষ্ঠপোষকতা, পরিবহন কিংবা আবাসনের ব্যবস্থা না করতে অনুরোধ করা হয়েছে।

সৌদি সরকার চলতি বছর হজ ব্যবস্থাপনায় কড়া অবস্থান নিয়েছে। নতুন বিধিমালায় বলা হয়েছে, কেবলমাত্র বৈধ হজ পারমিট, নিবন্ধিত ইকামা ও কর্তৃপক্ষের অনুমতি থাকলেই মক্কা এবং আশপাশের পবিত্র স্থানগুলোতে প্রবেশের অনুমতি মিলবে। এই বিধান ২৯ এপ্রিল থেকে ১০ জুন (জিলহজ ১৪) পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।

সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সতর্ক করে জানায়, হজ পারমিট ছাড়া হজ পালনের চেষ্টা করলে ২০ হাজার রিয়াল জরিমানা, সহায়তা করলে এক লাখ রিয়াল পর্যন্ত জরিমানা এবং যানবাহন বাজেয়াপ্তের বিধান রয়েছে। এছাড়া কোনো বিদেশি নির্ধারিত সময়ের অতিরিক্ত অবস্থান করলে তাকে বহিষ্কার করা হবে এবং পরবর্তী ১০ বছরে সৌদি আরব প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে।

ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেন, “সৌদি সরকারের আইন অমান্য করে হজ পালনের চেষ্টা হলে তা শুধু ধর্মীয় দায়িত্ব পালনে বিঘ্ন নয়, বরং রাষ্ট্রীয় সম্পর্কেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। প্রায় ৩৫ লাখ বাংলাদেশি সৌদিতে কর্মরত এবং এখান থেকেই আসে দেশের সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স। তাই সকলকে আইন মেনে চলা উচিত।”

আরও পড়ুনঃ রাজবাড়ীতে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নারীর মৃত্যু, চালক আটক

ধর্ম সচিব একেএম আফতাব হোসেন প্রামানিক বলেন, “হজ একটি দ্বিরাষ্ট্রীয় টিম ওয়ার্ক। এখানে সৌদি আরব মূল দায়িত্ব পালন করে থাকে। কাজেই আইন-কানুন মানা ও সচেতনতা ছাড়া সুশৃঙ্খল হজ ব্যবস্থাপনা সম্ভব নয়।”

ধর্ম মন্ত্রণালয় হজযাত্রীদের প্রতি সৌদি আরবের প্রচলিত আইন, নিয়মকানুন ও বিধি বিধান যথাযথভাবে মেনে চলার অনুরোধ জানিয়েছে, যাতে হজযাত্রা নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ হয় এবং বাংলাদেশ-সৌদি সম্পর্ক অব্যাহতভাবে সুদৃঢ় থাকে।