― Advertisement ―

spot_img

বুটেক্সের হলে চুরির পুনরাবৃত্তি, শিক্ষার্থীরা ক্ষুব্ধ

বুটেক্স প্রতিনিধিঃ বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুটেক্স) হলগুলোতে একের পর এক চুরির ঘটনায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক বাড়ছে। সম্প্রতি ছাত্রীদের আবাসিক বীর প্রতীক ক্যাপ্টেন...
প্রচ্ছদসারা বাংলাতাবলীগ জামাতের সংঘর্ষে আহত হয়ে ৪২ দিন পর ফুলবাড়ীর সুমনের মৃত্যু

তাবলীগ জামাতের সংঘর্ষে আহত হয়ে ৪২ দিন পর ফুলবাড়ীর সুমনের মৃত্যু

বিপুল মিয়া, ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি: বিশ্ব ইজতেমার মাঠ দখল নিয়ে সংঘর্ষে আহত কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার চন্দ্রখানা গ্রামের মুসুল্লি মিজানুর রহমান সুমন ৪২ দিন লাইফ সাপোর্টে থাকার পর মারা গেছেন। মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) রাত ৩টায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয় বলে পরিবার সূত্রে জানা গেছে।

জানা যায়, গত বছরের ১৩ ডিসেম্বর শুক্রবার স্ত্রী মরিয়ম বেগম এবং তিন সন্তানকে নিয়ে চাঁদপুরে বেড়াতে যান সুমন। সেখানে থেকে তিনি বিশ্ব ইজতেমায় যোগ দিতে ১৬ ডিসেম্বর টঙ্গীর ইজতেমা মাঠে যান। ওই দিন দিবাগত রাতে তাবলীগ জামাতের জুবায়ের ও সাদপন্থীদের মধ্যে মাঠ দখল নিয়ে সংঘর্ষ হয়। রাত সাড়ে ৩টায় সংঘর্ষে হতাহতের ঘটনা ঘটে, যেখানে সুমনসহ শতাধিক আহত হন।

সংঘর্ষের পরপরই সুমনকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়। কেউ তাকে চিনতে না পারায় ১৯ ডিসেম্বর কে বা কারা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বারান্দায় রেখে চলে যায়। পরে পরিবারের লোকজন জানতে পারেন যে সুমনকে অচেতন অবস্থায় হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে (আইসিইউ) ভর্তি করা হয়েছে। সেখানেই ৪২ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর তিনি মারা যান।

আরও পড়ুনঃ রামগঞ্জের কুখ্যাত সন্ত্রাসী ও আওয়ামী লীগ নেতা মাসুদ গ্রেফতার

নিহতের স্ত্রী মরিয়ম বেগম বলেন, “এতিম সন্তানদের নিয়ে আমি কীভাবে বাঁচবো তা বুঝতে পারছি না। শুধু কাঁদছি আর কাঁদছি।”

সুমন এলাকায় একজন নম্র, ভদ্র এবং তাবলীগ জামাতের একনিষ্ঠ কর্মী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তিনি এক ছেলে ও দুই মেয়েসহ বৃদ্ধ বাবা-মাকে রেখে গেছেন। তার বাবা একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং সফল ব্যবসায়ী।

সুমনের মৃত্যুতে তার গ্রামের বাড়ি চন্দ্রখানায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে গভীর শোকের পাশাপাশি তাবলীগের অভ্যন্তরীণ সংঘর্ষের এ ঘটনায় ক্ষোভ বিরাজ করছে।