― Advertisement ―

spot_img

উচ্চশিক্ষার সংকট: দক্ষ গ্র্যাজুয়েট তৈরির পথে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ শিক্ষক প্রশিক্ষণ

সামরিক জগতে একটি বহুল প্রচলিত প্রবাদ রয়েছে—‘কঠিন প্রশিক্ষণ, সহজ যুদ্ধ’। অর্থাৎ প্রশিক্ষণ যত কঠোর ও বাস্তবসম্মত হবে, যুদ্ধক্ষেত্রে সাফল্যের সম্ভাবনা তত বাড়বে। একজন সৈনিকের...
প্রচ্ছদখেলাধুলাক্রিকেটএবার যুক্তরাষ্ট্রের কাছে  লজ্জার হার পাকিস্তানের

এবার যুক্তরাষ্ট্রের কাছে  লজ্জার হার পাকিস্তানের

মাহমুদুল হাসান, স্পোর্টস ডেস্কঃ দুর্ধর্ষ একটি ম্যাচ। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে রান তাড়া করতে নেমে ১৬০ রান তাড়া করতে নেমে ১৫৯ রানই তুলল যুক্তরাষ্ট্র। ম্যাচ গড়াল সুপার ওভারে।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের চলতি আসরে একের পর এক চমক দেখিয়ে চলছে যুক্তরাষ্ট্র ক্রিকেট দল। নবম আসরের উদ্বোধনী ম্যাচেই কানাডার বিপক্ষে ১৯৫ রানের বিশাল টার্গেট তাড়া করে দাপুটে জয় পায় বিশ্বকাপের সহ স্বাগতিকরা।

টস জিতে পাকিস্তানকে ব্যাটিং আমন্ত্রণ জানায় যুক্তরাষ্ট্র। আগে ব্যাট করতে নেমে ২৬ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে যায় পাকিস্তান । মাত্র ২৬ রানে প্রথম সারির ৩ ব্যাটসম্যানের উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় পাকিস্তান। দলকে খেলায় ফেরাতে চেষ্টা করেন অধিনায়ক বাবর আজম ও সহঅধিনায়ক শাদাব খান। চতুর্থ উইকেটে তারা ৪৮ বলে ৭২ রানের জুটি গড়েন।

এরপর কোনো রান যোগ হওয়ার আগেই সাজঘরে ফেরেন শাদাব খান ও আজম খান। শাদাব খান ২৫ বলে এক চার আর ৩টি ছক্কার সাহায্যে ৪০ রান করলেও শূন্য রানে ফেরেন আজম খান। শেষ পর্যন্ত ৭ উইকেট হারিয়ে ১৫৯ রান করতে সক্ষম হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ আমরা তো মায়ের দোয়া টিম হয়ে গেছি: সাকিব

জয়ের জন্য ১৬০ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে আমেরিকার ব্যাটারেরা শুরু করেন সাবলীল ভাবে। পাকিস্তানের বোলারদের অযথা সমীহ করেননি মনাঙ্কেরা। পাওয়ার প্লেতে আফ্রিদি, আমিরদের বিরুদ্ধে সহজেই রান তোলেন তাঁরা। স্টিভন টেলর রান পেলেন না এ দিন। নাসিম শাহের বলে আউট হন তিনি। ১৬ বলে করেন ১২ রান। প্রথম ৬ ওভারে ১ উইকেটে ৪৪ রান তোলে আমেরিকা। তার পরেও রান তোলার গতি কমেনি আমেরিকার।

দ্বিতীয় উইকেটের জুটিতে মনাঙ্কের সঙ্গে আন্দ্রিস গাউস তোলেন ৬৮ রান। উইকেটরক্ষক ব্যাটার করেন ২৬ বলে ৩৫ রান। ৫টি চার এবং ১টি ছক্কা মারেন তিনি। আফ্রিদিকে বিশাল ছক্কা মেরে অর্ধশতরান পূর্ণ করেন আমেরিকার অধিনায়ক। ৩৮ বলে ৭টি চার ১টি ছক্কার সাহায্যে ৫০ রান করে আউট হন তিনি। ২২ গজে জমে যাওয়া দুই ব্যাটার পর পর আউট হওয়ায় চাপে পড়ে যায় আমেরিকা।

তার পর আমেরিকার ইনিংসের হাল ধরেন জোন্স এবং নীতীশ। জোন্স ২৬ বলে ৩৬ রানের অপরাজিত ইনিংস খেললেন। মারলেন ২টি করে চার এবং ছক্কা। নীতীশের ব্যাট থেকে এল ১৪ বলে ১৪ রানের অপরাজিত ইনিংস। ২০ ওভারে আমেরিকাও ১৫৯ রান তুলল ৩ উইকেট হারিয়ে। ফলে খেলা গড়ায় সুপার ওভারে।

সুপার ওভারে ৬ বলে ১৮ রান বোর্ডে তুলে নেয় যুক্তরাষ্ট্র। এবং সুপার ওভারে দুরন্ত জয় যুক্তরাষ্ট্রের। ১৯ রান তাড়া করতে নেমে ৫ রানে জয় ছিনিয়ে নিল মোনাক পটেলের দল।